শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ডাকসুর ভোট চাইতে ঢাবি ছাত্রের নানাবাড়িতে বেরোবি ছাত্রদল নেতা!

বেরোবি প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও রংপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আল-আমিনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভোট চাইতে দেখা যায়। 

তিনি নেতাকর্মীদের নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোয়ার নামে এক শিক্ষার্থীর নানাবাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে ফোন দিয়ে ভোট চান।

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বেরোবি ছাত্রদল নেতার ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, বেরোবি ছাত্রদল নেতা আল-আমিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী মনোয়ারের নানির সঙ্গে কথা বলছেন। এসময় নানি মনোয়ারকে ফোন করে বলছেন, ‘ও ভাই, ওটি বলে ভোট হবি, তোমার মাস্টার আইছে, কাক দিবার কয়, তাকে এলা ভোটটা দাও।’

এরপর আল-আমিন নিজে ফোনটি নিয়ে মনোয়ারকে বলেন, ‘মনোয়ার, তোমাকে তো বেশি কিছু বলতে হবে না, আমাদের প্যানেলের দিকে দেখবা তুমি।’ এরপর তিনি মনোয়ারের মামার সঙ্গে কথা বলতে অনুরোধ করেন।

মনোয়ারের মামা ফোনে বলেন, ‘শোনো, বাংলা কথা, বিএনপির প্যানেল যেটা, হামরাও বিএনপি করি, হামারই ভোট যদি অন্য দিকে যায় তাহলে মান ইজ্জতের ব্যাপার আছে, হামারই দল ঠকলেও একটা মান ইজ্জতের ব্যাপার আছে। আবিদুর প্যানেলে ভোট দিবা।’ শেষে আল-আমিন আবারও ফোন হাতে নিয়ে বলেন, ‘মনোয়ার, তোমার বন্ধু-বান্ধব যারা আছে ব্যাচমেটদের সবাইকে একটু দেখিও।’

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে বেরোবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আল-আমিন বলেন, ‘এটি প্রায় ১২-১৩ দিন আগের ঘটনা। যে শিক্ষার্থীর কথা বলা হয়েছে সে আমার কোচিংয়ের ছাত্র এবং আমাদের আত্মীয়। তার মামা বিএনপির নেতা। আমরা ঘুরতে গিয়েছিলাম, তখন তার মামা তাদের বাসায় ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে কথাবার্তা হয়। একপর্যায়ে তার মামা তাকে ফোন দিতে বলেন এবং তার নানি, মামা ও আমি কথা বলি।’

আল আমিন বলেন, ‘এটা নিয়ে নোংরামি করা হচ্ছে। আমার মনে হয় এটা শিবিরের একটি অপকৌশল, এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি নাছির উদ্দীনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ভোরের আকাশ/মো.আ.

ভোটডাকসু নির্বাচনছাত্রদল

শেয়ার করুন: