শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

খুবি ও চীনের শ্যামেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এমওইউ স্বাক্ষর

উপকূলীয় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ গবেষণায় নতুন যুগের সূচনা

খুলনা ব্যুরো

প্রকাশ : ৯ মে ২০২৫, ৬:০৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
উপকূলীয় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ গবেষণায় নতুন যুগের সূচনা
উপকূলীয় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ গবেষণায় নতুন যুগের সূচনা

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীব বিজ্ঞান স্কুল এবং চীনের শ্যামেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোস্টাল ওয়েটল্যান্ড ইকোসিস্টেমস বিষয়ক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ কী ল্যাবরেটরির মধ্যে সমঝোতা স্মারক(এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮মে) সকাল ৯টায় দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভার্চুয়ালি এক অনুষ্ঠানে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী এবং শ্যামেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কী ল্যাবরেটরির পরিচালক প্রফেসর ড. ইহুই ঝাং আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তির আওতায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিনিময়, যৌথ গবেষণা, তথ্য ও প্রযুক্তি বিনিময়, এবং সাংস্কৃতিক সহযোগিতার সুযোগ সৃষ্টি হবে। উপকূলীয় অঞ্চল ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে এ চুক্তি বাংলাদেশের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে। এতে দু’টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদে একটি কার্যকর ও ফলপ্রসূ অংশীদারিত্ব গড়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। একই সাথে দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্বাক্ষরিত এই চুক্তির মাধ্যমে উপকূলীয় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিষয়ক গবেষণায় নতুন যুগের সূচনা বলে মনে করছেন দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠানে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম বলেন, এই সমঝোতা স্মারক শুধুমাত্র একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি নয়, বরং এটি একাডেমিক উৎকর্ষতা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য একটি যৌথ প্রতিশ্রুতি। এর মাধ্যমে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তোলার পাশাপাশি উপকূলীয় পরিবেশগত সংকটের মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উদ্ভাবনী সমাধানের পথও সুগম হবে।

দি অফিস অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ আশিক-উর রহমান এবং প্রাক্তন পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ মুরছালিন বিল্লাহের সঞ্চালনায়  অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী, জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম হোসেন, শ্যামেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কী ল্যাবরেটরির পরিচালক প্রফেসর ড. ইহুই ঝাং, অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. লুঝেন চেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ নজরুল ইসলাম প্রমুখ।  

ভোরের আকাশ/এসআই

শেয়ার করুন: