শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ ব্যয়ে প্রস্তুত সরকার

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৭ মে ২০২৬, ৪:১৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বিগত সরকারগুলোর সময়ে শিক্ষাখাতে ‘কম’ ব্যয়ের সমালোচনা করে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বিএনপি সরকার শিক্ষার মানোন্নয়নে জিডিপির ৫ শতাংশ ব্যয় করতে প্রস্তুত।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজধানীতে ইউনিসেফ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শিক্ষার মান নিয়ে হতাশা প্রকাশে করে মন্ত্রী বলেন, ত্রুটি কোথায়, তিনি নিজেও উত্তর খুঁজে পাননি।

তিনি বলেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, শিক্ষাখাতে জিডিপির ৫ শতাংশ পর্যন্ত বিনিয়োগ বাড়ানো হবে। ইউনেস্কো কমিশন আমাদের ৬ শতাংশ পর্যন্ত যেতে বলেছে। আগের সরকারগুলো কখনো জিডিপির ১ দশমিক ৭০ শতাংশের বেশি বিনিয়োগ করেনি। কিন্তু এখন আমরা বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত।

তবে এর ফলাফল কী? এই প্রশ্ন রেখে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষকরাই মূল বিষয়। আর আমরা নীতিনির্ধারকরাও দায়ী। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে প্রস্তুত—শিক্ষাব্যবস্থা পরিবর্তন করতে, শিক্ষা বিভাগকে উন্নত করতে। কিন্তু মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, মাঠপর্যায়ের অফিসার, শিক্ষক, প্রশিক্ষকরা কীভাবে কাজ করছেন আমি জানি না।

বড় বড় প্রকল্পে অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও শিক্ষার মানোন্নয়নে তা কার্যকর কি-না সে প্রশ্ন তোলেন এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেন, কেন গবেষণায় এমন তথ্য আসে যে ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থী ঠিকমতো পড়তে পারে না? কেন?

শিক্ষার মান নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পার হয়ে গেছে। এত বছর পরও কেন আমাদের এই সমস্যাগুলো রয়ে গেছে? কেন আমাদের ব্যবস্থা ঠিকভাবে কাজ করছে না? আমাদের ত্রুটি কোথায়? আমি নিজেও এর উত্তর খুঁজে পাইনি। আমি নিজেও প্রায় ২০ বছর আগে একই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ছিলাম। কিন্তু এখন পর্যন্ত মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কোনো উল্লেখযোগ্য উন্নতি আমি দেখতে পাইনি। এটা আমার নিজের পর্যবেক্ষণ। অথচ ইউনিসেফ মাঠপর্যায়ে কাজ করে আমাদের তথ্য দিয়েছে—বর্তমানে শ্রেণিকক্ষগুলোর অবস্থা কী। আমরা হয়তো জানি না, অথবা সবাই জানি কিন্তু স্বীকার করি না।

শিক্ষা ও শিক্ষকের মানোন্নয়নে সরকারের কর্মপরিকল্পনা রয়েছে তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, আমাদের সেই পথেই এগোতে হবে। এ ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ৩২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি-পিইডিপি-৪ বাস্তবায়িত হয়েছে এবং ৫১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে পিইডিপি-৪ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে বলে তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, এত বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরও প্রাথমিক শিক্ষার এই অবস্থাই যদি হয়, তাহলে এর জবাব কে দেবে? সরকার তো বিনিয়োগ করছে। শিক্ষাখাতে বিনিয়োগ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পেয়েছে।

শিক্ষার মান নিয়ে মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টদের আত্মসমালোচনা করার তাগদ দিয়ে তিনি বলেন, আমরা আর নিশ্চুপ বসে থাকতে পারি না। আসুন, সবাই মিলে কাজ করি।

এহছানুল হক মিলন মন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের মানুষ মানবসম্পদ উন্নয়নে সর্বোচ্চ বিনিয়োগ করছে। অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের জন্য সর্বোচ্চ ব্যয় করছেন। এখন এর ফল আসতেই হবে। শিক্ষার মাধ্যমেই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তুলতে হবে। এর বাইরে আর কোনো পথ নেই।

আরও পড়ুন

বগুড়ায় হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর, সাড়ে ১০ হাজার ফুটের রানওয়ে

রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনে জাতিসংঘের শিশু তহবিল-ইউনিসেফ এক অনুষ্ঠানে সংস্থাটি তাদের সমীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

‘ব্রিংগিং লার্নিং টু লাইফ: ইনোভেশনস ইন ট্রেনিং, টিচিং, লার্নিং অ্যান্ড স্টুডেন্ট এনগেজমেন্ট’ শীর্ষক এই প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

ভোরের আকাশ/এনএস

জিডিপিশিক্ষা খাত

শেয়ার করুন: