শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ফল পুনর্নিরীক্ষণে অসন্তুষ্ট হলে আবারও কি আবেদন করা যাবে?

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৫৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে চার লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী আবেদন করলেও গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে মাত্র ২৭ হাজার ৮৩৬ জন শিক্ষার্থীর। অর্থাৎ ফি দিয়ে আবেদন করেও কোনো লাভ হয়নি পৌনে ৪ লাখ শিক্ষার্থীর। তাদের অনেকে প্রথম দফা পুনর্নিরীক্ষণে সন্তুষ্ট নয়।

পুনরায় খাতা চ্যালেঞ্জ বা ফল পুনর্নিরীক্ষণ আবেদনের সুযোগ আছে কি না, তা নিয়ে জানতে আগ্রহী তারা।

শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুনর্নিরীক্ষণের পর প্রকাশিত ফলাফলেও কোনো শিক্ষার্থী অসন্তুষ্ট হলে একই উত্তরপত্র দ্বিতীয়বার নিরীক্ষণের সুযোগ নেই। তবে শেষ সুযোগ হিসেবে অসন্তুষ্ট বা সংক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী আদালতে রিট আবেদন করতে পারবে।

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানূ বলেন, চার ধাপ পেরিয়ে পুনর্নিরীক্ষণসহ মূল্যায়নের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী এরপর আর কোনো সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, বোর্ডের একটা নীতিমালা আছে। পরীক্ষা আইন আছে। সেই নীতিমালার বাইরে যাওয়া সম্ভব নয়। এখন এরপরও যদি কেউ সন্তুষ্ট না হয়, তাহলে তাকে আদালতেই যেতে হবে। এখন একটাই সুযোগ আছে, কোর্ট। কোর্টে গিয়ে যদি কেউ রিট করে যে আমার খাতাটায় আমি সন্তুষ্ট না, আমি আবার এটা দেখতে চাই, আর কোর্ট যদি আমাদের আদেশ দেয়, আমরা তখন সেটাই করতে বাধ্য।

ঢাকা বোর্ড সূত্র জানায়, পরীক্ষার পর একটি উত্তরপত্র চারটি ধাপ পেরিয়ে আসে। প্রথমে পরীক্ষক উত্তরপত্র মূল্যায়ন করেন। এরপর প্রধান পরীক্ষক সেটি দেখেন। পরে নিরীক্ষক নম্বরের হিসাব ঠিক আছে, কি না যাচাই করেন। সবশেষ পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করা হলে আরেকজন পরীক্ষক দিয়ে উত্তরপত্রটি পুনর্নিরীক্ষণ করা হয়। চারটা ধাপ পেরোনোর পর বোর্ড কর্তৃপক্ষের আর কিছু করার নেই বলেও জানান কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন

তামাকপণ্যের বিস্তার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন : জহির উদ্দিন স্বপন

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্যমতে, ৪ লাখ ২ হাজার ৫২ জন শিক্ষার্থী ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৮টি খাতা চ্যালেঞ্জ বা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করে। এতে ফেল থেকে পাস করেছে ৪ হাজার ৫৮৫ জন শিক্ষার্থী।

নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৭৯ জন। মোট নম্বর পরিবর্তন হয়েছে ৫৬ হাজার ২৫৯টি খাতায়। আর জিপিএ বা গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে ২৭ হাজার ৮৩৬ জনের।

ভোরের আকাশ/এনএস

শেয়ার করুন: