শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রাথমিকে অনলাইন ক্লাস হচ্ছে না : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৬ এপ্রিল ২০২৬, ২:৩৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

জ্বালানি সংকট প্রেক্ষাপটে স্কুল বন্ধের ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তবে সর্বশেষ আলোচনা থেকে প্রতিমন্ত্রী জানান, অনলাইন ক্লাসের দিকে যাবে না প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নসহ বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামো গত উন্নয়নের ব্যাপারে রাজধানীর মিরপুরে বিভিন্ন স্কুল পরিদর্শন শেষে তিনি গণমাধ্যমকে এমনটা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, আগামী জুন-জুলাই শিক্ষা ক্ষেত্র নিয়ে আসছে নতুন কিছু পদক্ষেপ। তার প্রেক্ষিতেই প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের পাঁচ বছরের টার্গেট হলো- ৫ থেকে ১০ বছর বয়সী ৯৬ শতাংশ বাচ্চাকে যেন স্কুলের দিকে নিয়ে আসতে সক্ষম হই। তাদের এই যে ৫-১০ বছর বয়সীদের এই শিক্ষা শেষে বাংলা শিক্ষা, ইংরেজি শিক্ষা, কমিউনিকেশন, গণিত শিক্ষায় যেন তারা পারদর্শী হয়। এখন আমরা সেই ব্যবস্থাই করছি।

শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, এই যায়গা থেকে স্কুল-ক্যাম্পাসগুলো যদি শিক্ষার্থী বান্ধব না হয় তাহলে, ডিজাইনগুলো যদি তেমন না হয়; আমরা আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য মিড ডে মিলের ব্যবস্থা করছি।

তার দাবি, প্রধানমন্ত্রী এরই মধ্যে প্রমিজ করেছেন পুরো জাতির কাছে যে- প্রাথমিক সরকারি বিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে আমরা বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস দেব। সো অনেক কিছুই আমরা দিচ্ছি। এর সঙ্গে আরও অনেক ধরনের ব্যবস্থা করবো। সেই যায়গা থেকে এই ক্যাম্পাসগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হামের প্রবণতা ইনফেন্ডদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। স্কুলগামীদের মধ্যে এটি সবচেয়ে বেশি। আর এ জন্য আমাদের যা করা দরকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে ডিটেলস জেনে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে জানিয়ে দিয়েছি। তাই সব ধরনের ব্যবস্থাই এখানে নেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, এ সময় তিনি বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটিসহ, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের সাথেও কথা বলেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মিড ডে মিলসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যগত উন্নয়নের ব্যাপারেও খোঁজ খবর নেন প্রতিমন্ত্রী।

ভোরের আকাশ/আ.র

অনলাইন ক্লাস

শেয়ার করুন: