শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কোচিং সেন্টার শুরুই হচ্ছে আমাদের দুর্বলতার কারণে

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১২ এপ্রিল ২০২৬, ৯:২৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

কোচিং সেন্টার শুরুই হচ্ছে আমাদের দুর্বলতার কারণে। আমাদের আগে নিজেদের শিক্ষকদের ট্রেইন আপ করতে হবে।

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, কোচিং সেন্টার শুরুই হচ্ছে আমাদের দুর্বলতার কারণে। আমাদের আগে নিজেদের শিক্ষকদের ট্রেইন আপ করতে হবে।

রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত ঢাকার কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি আরো বলেন, শিক্ষকরা কি শেখাবেন এটাই আমাদের আগামীর প্রায়োরিটি। আমাদের শিক্ষকরা ঠিকমত পড়ান না। তখন শিক্ষার্থীদের বাসায় এক শিক্ষক, দুই শিক্ষক দেন। তাও না হলে তখন কোচিং সেন্টার। এটা থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী ড. মিলন শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, শিক্ষকদের অভিভাবক আমি। আপনাদের ঠকাবে , সেটা হবে না। কেউ যদি মনে করে শিক্ষকদের অভিভাবক নাই, সেটা হবে না। শিক্ষকরা সরকারের কাছ থেকে যে সব ইকুয়েপমেন্ট পান, সব বুঝে নিবেন। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান যেন ঠকাতে না পারে। কোন অনিয়ম হলে আমাকে জানাবেন। এরপরে শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষকদের তার নিজের ব্যক্তিগত ফোন নম্বর দেন।

শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, লটারি মেধাবী নির্ধারণ করেনা। সব জায়গায় ভালো স্কুল আছে। কেনো আপনার বাড়ির পাশের স্কুল রেখে সন্তানরা অন্য জায়গায় যাবে। শিক্ষকরা কী এর জন্য দায়ী না বলেন?

আমি নাকী গরীব ধনীর বৈষম্য দূর করেছি, লটারি কে ধনী কে গরীব ঠিক করেনা। লটারি কে মেধাবী কে মেধাবী না সেটা ঠিক করেনা।

মন্ত্রী আরো বলেন, অনেক সময় শুনতে হয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সন্তানদের জন্য তার বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ করে দেয়ার। আমি বলতে চাই যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের সন্তান তার বিশ্ববিদ্যালয়ের চান্স পায়না , সেই শিক্ষককে পদত্যাগ করা উচিত।

ভোরের আকাশ/এনউব

কোচিং সেন্টার

শেয়ার করুন: