শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

পরীক্ষার খাতা অন্যের মাধ্যমে মূল্যায়ন করালে পরীক্ষকের জেল ও জরিমানা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ৬ মে ২০২৫, ১২:২৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
পরীক্ষার খাতা অন্যের মাধ্যমে মূল্যায়ন করালে পরীক্ষকের জেল ও জরিমানা
পরীক্ষার খাতা অন্যের মাধ্যমে মূল্যায়ন করালে পরীক্ষকের জেল ও জরিমানা

এসএসসি ও সমমানের চলমান পরীক্ষায় উত্তরপত্র মূল্যায়নে কেউ গাফিলতি করলে কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হবে—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডগুলো। বিশেষ করে, পরীক্ষার খাতা অন্য কারও মাধ্যমে মূল্যায়নের অভিযোগ ঠেকাতে এবার আগে থেকেই কঠোর অবস্থান নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

৫ মে, সোমবার আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সাবকমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কোনো পরীক্ষক যদি নিজের দায়িত্ব অন্য কাউকে দেন বা পরীক্ষার খাতা অন্য কাউকে দিয়ে মূল্যায়ন করান, তাহলে তা ১৯৮০ সালের পরীক্ষা পরিচালনা আইন অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র হচ্ছে পরীক্ষকের কাছে একটি পবিত্র আমানত। কোনো অবস্থাতেই এই খাতা প্রধান পরীক্ষক বা নিয়োজিত পরীক্ষক ছাড়া অন্য কাউকে, এমনকি শিক্ষার্থীর পরিবারের সদস্যদেরও, দিয়ে মূল্যায়ন বা বৃত্ত পূরণের কাজ করানো যাবে না।

শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে সব প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষকদের উত্তরপত্র মূল্যায়নের সময় গোপনীয়তা বজায় রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, পরীক্ষার নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা বজায় রাখার স্বার্থে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।

চলমান পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও ন্যায়সংগত মূল্যায়ন নিশ্চিতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে বোর্ড সূত্রে জানা গেছে।

ভেরের আকাশ//হ.র

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড

শেয়ার করুন: