রূপগঞ্জে যুবতীকে সাতদিন আটকে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এক যুবতীকে (১৯) সাতদিন একটি ভাড়া বাসায় আটকে রেখে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। একই সঙ্গে ওই যুবতীকে উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (২৩ আগস্ট) রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার বরপা শান্তিনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই দিনই সাতজনকে আসামি করে রূপগঞ্জ থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—এজাহারভুক্ত আসামি বরপা শান্তিনগর এলাকার মৃত শাহেদ আলীর ছেলে আলমগীর হোসেন (২৪), রুনা আক্তার (২৫) ও পপি আক্তার (২৩)।
পুলিশ ও মামলার সূত্রে জানা গেছে, মুন্সিগঞ্জ জেলার ওই তরুণীর সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলমগীর হোসেনের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ১৫ আগস্ট বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আলমগীর ওই তরুণীকে রূপগঞ্জে নিয়ে আসেন। পরে বরপা শান্তিনগর এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে সেখানে তাকে স্ত্রীর পরিচয়ে রাখেন।
অভিযোগ রয়েছে, রাতে আলমগীর ও তার সহযোগীরা ওই বাসায় মাদক সেবনের পর তরুণীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এভাবে টানা সাতদিন তাকে সেখানে আটকে রেখে একাধিক ব্যক্তি ধর্ষণ করে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
গত ২২ আগস্ট শনিবার বিষয়টি বাড়ির মালিকের নজরে আসে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তিনি পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই তরুণীকে উদ্ধার করে এবং আলমগীর হোসেনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় অভিযুক্ত আরও কয়েকজন পালিয়ে যায়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার এজাহারভুক্ত গ্রেপ্তার তিন আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ভোরের আকাশ/ এনউব