শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আড়াই বছর পর বেনাপোল বন্দরে পেঁয়াজ আমদানি

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৫ আগস্ট ২০২৫, ১১:০১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

প্রায় আড়াই বছর পর বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে শুরু হয়েছে পেঁয়াজ আমদানি।সোমবার (২৫ আগস্ট) বিকাল ৪ টায় প্রথম চালানে ভারতীয় একটি  ট্রাকে ১৫ টন পেঁয়াজ আসে বন্দরে।

পেঁয়াজের আমদানিকারক বাগেরহাটের এস এম ওয়েল ট্রেডার্স এবং রফতানিকারক ভারতের ন্যাশনাল ট্রেডিং করপোরেশন।

প্রতি মেট্রিক টন ৩০৫ ইউ এস ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় ৩৭ হাজার ৪২৯ টাকা মূল্য দেখিয়ে ভারত থেকে আমদানি করা হয়েছে। আমদানিকৃত পেঁয়াজ বাজারে মান ভেদে ৫৮ থেকে  ৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি হতে পারে।

এদিকে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হওয়ায় প্রথম দিনেই স্থানীয় বাজারে কেজিতে ৫ থেকে  ৭ টাকা কমেছে দাম। আমদানি কমের অযুহাতে গতকালও দেশীয় বাজারে ৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে পেঁয়াজ।

আমদানিতে নানান প্রতিবন্ধকতায় ২০২৩ সালের মার্চ মাস থেকে বন্ধ ছিল বেনাপোলে রুটে পেয়াজের আমদানি।

বেনাপোল আমদানি-রফতানি সমিতির সহ সভাপতি আমনিুল হক বলেন, এর আগে দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের নায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার পেয়াজ আমদানি বন্ধ করেছিল। পরে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে ভারত। বর্তমানে দেশে চাহিদার বিপরীতে আমদানি ও পর্যাপ্ত মজুত থাকলেও অতিরিক্ত মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে বাড়াচ্ছিল দাম। এতে নিম্ন আয়ের মানুষের নিত্যপ্রোয়জনীয় এ খাদ্যদ্রব্যটি কিনতে গুনতে হচ্ছিল অতিরিক্ত টাকা। অবশেষে সরকার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে বাজার নিয়ন্ত্রণে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়।

আলতাফ হোসেন নামে একজন পেঁয়াজ ক্রেতা বলেন, ‘আমদানির খবরে প্রথম দিনে পেয়াজের দাম কেজিতে কমেছে ৫ টাকা। এতে মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা যে সিন্ডিকেট করে দাম বাড়িয়েছিল সেটা বোঝা গেল।

বেনাপোল স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী শ্যামল কুমার নাথ জানান, প্রথম চালানে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ১৫ টন পেঁয়াজ আমদানির করেছেন। পেঁয়াজের মান পরীক্ষা শেষে বন্দর থেকে খালাসের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

তথ্য বলছে, প্রতি বছর দেশে পেঁয়াজের চাহিদা ২৭-২৮  লাখ মেট্রিক টন। সেখানে গত বছর উৎপাদন হয়েছে ৩২ লাখ মেট্রিক টনের মত। গত  দুই বছরে দেশে পেঁয়াজ উৎপাদন বেড়েছে প্রায় আট লাখ মেট্রিক টন।  চাহিদার থেকে উৎপাদন বেশি থাকলেও সিন্ডিকেটের কারণে বাজার ঊর্ধ্বমুখী হলে আমদানি করে বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।

ভোরের আকাশ/জাআ

পেঁয়াজ আমদানিবেনাপোল

শেয়ার করুন: