শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

‎হোসেনপুরে মরিচের বাম্পার ফলন, দামে দ্বিগুণ হাসি

হোসেনপুর কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২:০৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- ভোরের আকাশ
ছবি- ভোরের আকাশ

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় এ বছর মরিচ চাষে এসেছে আশাতীত সাফল্য। মাঠজুড়ে সবুজ গাছের ফাঁকে লাল-সবুজ মরিচের ঝাড় যেন কৃষকের স্বপ্নের রঙ ছড়িয়ে দিয়েছে। ফলন যেমন বাম্পার, তেমনি বাজারদরও গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ,ফলে কৃষকের মুখে এখন স্বস্তির হাসি।তবে গত বছরে মরিচ চাষে লসের অভিজ্ঞতা থেকে এবার চাষীরা ভয়ে ছিল।কিন্তু সকল ভয়কে জয় করতে বিধাতা যেন মরিচ চাষে বরদান করেছে।
‎
‎উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, গত বছর হোসেনপুরে ২১০ হেক্টর জমিতে মরিচের আবাদ হয়েছিল। চলতি মৌসুমে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১৬ হেক্টরে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকা, রোগবালাই তুলনামূলক কম হওয়া এবং কৃষি বিভাগের পরামর্শে উন্নত পরিচর্যার ফলেই এ সাফল্য এসেছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
‎
‎‎বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছর কাঁচা মরিচের প্রতি মণ দাম ছিল ১,৫০০ থেকে ২,৫০০ টাকা। কিন্তু এ বছর সেই মরিচই বিক্রি হচ্ছে ৩,৫০০ থেকে ৫,৫০০ টাকায়। অর্থাৎ দামে প্রায় দ্বিগুণ উল্লম্ফন ঘটেছে। এতে উৎপাদন খরচ তুলনামূলক বেশি হলেও লাভের অঙ্ক সন্তোষজনক হওয়ায় কৃষকেরা বেশ খুশি।
‎
‎স্থানীয় কয়েকজন কৃষক জানান, চলতি মৌসুমে ফলন ভালো হওয়ায় তারা ঋণ পরিশোধ করে বাড়তি আয় হাতে পাচ্ছেন। কেউ ঘরের টিন বদলানোর পরিকল্পনা করছেন, কেউবা সন্তানের পড়াশোনার খরচ নিয়ে এখন আর চিন্তিত নন। মরিচের এই লাল আভা যেন তাদের জীবনে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে।
‎
‎উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ মহসিন বলেন, ভবিষ্যতেও যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে এবং বাজারদর স্থিতিশীল থাকে, তবে হোসেনপুরে মরিচ চাষ আরও সম্প্রসারিত হবে। কৃষকদের নিয়মিত সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রদান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

ভোরের আকাশ/তা.কা


‎

কিশোরগঞ্জমরিচের বাম্পার ফলন

শেয়ার করুন: