শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কুমিল্লায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষ

ঝিনাইদহের এক পরিবারে ৩ জনসহ ৫ জনের মৃত্যুতে শোকের মাতম

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯:০৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিং এলাকায় ট্রেন ও বাসের ভয়াবহ সংঘর্ষে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ৫ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের মা ও দুই শিশু সন্তান রয়েছে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের মাতম চলছে।

নিহতরা হলেন— ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার পাতিবিলা গ্রামের বাসচালক পিন্টু হোসেনের স্ত্রী লাইজু খাতুন (২৭) ও তাদের দুই শিশুকন্যা খাদিজা (৫) ও মরিয়ম (৩), একই উপজেলার ভালাইপুর গ্রামের সোনালি বেগম (৫০) এবং ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হরিশঙ্করপুর ইউনিয়নের অনামী গ্রামের মুক্তার হোসেনের ছেলে জোহাদ হোসেন।

জানা গেছে,  'মামুন পরিবহন'-এর যাত্রীবাহী বাসটি যশোরের চৌগাছা থেকে যাত্রা শুরু করে ঝিনাইদহের মহেশপুর হয়ে নোয়াখালীর উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। বাসের যাত্রীরা ঈদে নোয়াখালী ও চট্টগ্রামে অবস্থানরত তাদের নিকটাত্মীয়দের বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিং এলাকায় পৌঁছালে বাসটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। একটি দ্রুতগামী ট্রেনের সঙ্গে বাসটির প্রচণ্ড সংঘর্ষ হলে মুহূর্তেই সব আনন্দ বিষাদে পরিণত হয়। ঘটনাস্থলেই ঝিনাইদহের একই পরিবারের মা ও দুই শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু হয়। স্বজনদের সাথে দেখা করার পরিবর্তে তাদের নিথর দেহ এখন নিজ গ্রামে ফেরার অপেক্ষায়, যা পুরো এলাকায় এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।

নিহতদের স্বজনরা জানান, দুর্ঘটনাকবলিত ‘মামুন পরিবহন’ বাসটির মূল চালক ছিলেন ঝিনাইদহের মহেশপুরের বাসিন্দা পিন্টু হোসেন। তিনি যশোর ও মহেশপুর থেকে বাসটি চালিয়ে ঢাকা পর্যন্ত আসেন। এরপর নিয়ম অনুযায়ী বিশ্রাম নিতে বদলি অন্য এক চালকের হাতে বাসের স্টিয়ারিং তুলে দিয়ে পিন্টু ঢাকাতেই নেমে যান। পিন্টু বাস থেকে নেমে গেলেও তার আদরের দুই সন্তান ও স্ত্রী বাসেই থেকে যান। কুমিল্লার পদুয়া বাজারে যখন ঘাতক ট্রেনটি বাসটিকে পিষে দেয়, তখন পিন্টুর নিজের সাজানো সংসারটিও ধ্বংস হয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তার স্ত্রী ও দুই মেয়ে প্রাণ হারান।

পাতিবিলা গ্রামের শহিদুল ইসলাম জানান, ‘আমার ভাই পিন্টু বাস চালাতো। তার পরিবারকে নিয়ে নোয়াখালী যাচ্ছিল। ঢাকায় সে নেমে যায়। এসময় গাড়িতে ছিল তার স্ত্রী-সন্তানরা। দুর্ঘটনায় তারা সবাই মারা গেছে।’

শহিদুল ইসলাম আরও জানান, তাদের মৃত্যুর খবরে গোটা পরিবার শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়েছে।

মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার জানান, ‘মরদেহ বাড়িতে পৌঁছালে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।’

জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসঊদ শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বলেন, ‘নিহতদের মরদেহ বাড়িতে আনার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে।’  

ভোরের আকাশ/এসএইচ 

ঝিনাইদহ

শেয়ার করুন: