স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম.এ মুহিত
হাসপাতাল গুলোতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম. এ মুহিত বলেছেন, হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ব একটি বড় সমস্যা। এগুলো শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে ঢাকায় বসে নির্দেশনা দিয়ে পরিবর্তন আনা সম্ভব না।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) হাসপাতালে এসেছি ভুল ধরতে নয়। আজ হাসপাতালে পরিস্থিতি দেখলাম। আমি ভিজিট করছি জেনে কর্তৃপক্ষ কতটুকু এগুতো পারে। এই সুযোগটাও ওনাদের দেওয়া উচিত বলে মনে করি। আজকের মতো পরিস্কার পরিচ্ছন্নের মানটা ধরে রাখবেন বলে আশা করি। নিয়মিত মনিটরিং করলে সেবার মান উন্নতি হবে।
হাসপাতাল গুলোতে লোকবলের সংকট সর্বব্যাপী। সারা দেশে হাসপাতাল গুলোতে লোকবলের সংকট রয়েছে। পাশাপাশি যে লোকবল আছে তার সর্বচ্চ ব্যবহার আমরা এখনও নিশ্চিত করতে পারিনি। সুতরাং আমরা সেটিরও এনসিওর করার চেষ্টা করছি। বর্তমানে যে লোকবল আছে তারা যেখানে পোষ্টেট সেখানে যেন পাওয়া যায় সে ব্যাপারে কথা হয়েছে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে একথা বলেন। রোুগীদের কাছ থেকে আমরা অভিযোগ পাই, মাঝে মাঝে তারা সঠিক চিকিৎসা পান না। যাদের থাকার কথা তারা থাকেননা। আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে স্বাস্থ্য খাতকে সর্বচ্চ অগ্রাধীকার দিয়েছি।
স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বৃদ্ধি সহ একেবারে তৃনমূল পর্যন্ত চিকিৎসা সেবা দেওয়ার লক্ষে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা হবে। সেই সাথে তৃনমূলে চিকিৎসা সেবা উন্নতী করার জন্য তাদের প্রশিক্ষন দেওয়া হবে। হাসপাতালের সামনে অবৈধ স্থাপনা, দালালদের দৌরাত্ব এই সমস্যা গুলো এত বড় শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে ঢাকায় বসে নির্দেশনা দিয়ে পরিবর্তন আনা সম্ভব না।
আমরা জাতি হিসেবে এই রাষ্ট্র গত ১৭ বছরে দুর্নীতির মধ্যে নিমজ্জিত হয়ে গেছি। আমাদের দেশ থেকে লক্ষ কোটি টাকার সম্পদ বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এধবস্থা থেকে বের হতে গেলে আমাদের একটি সামাজিত আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে অবস্থা তৈরী করতে হবে। যেখানে প্রত্যেকটি নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত আমরা সরকার এবং রাজনৈতিক দল কাজ করে যাবো। মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য সরকার কাজ করছে।
হাসপাতাল পরিদর্শন কালে মন্ত্রী চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের সাথে সরাসরি কথা বলেন এবং হাসপাতালের বাথরুম সহ বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেথেন। এসময় জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু, সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ববধায়ক ডা. আকিকুন নাহার, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শিমুল তালুকদার উপস্থিত ছিলেন।
ভোরের আকাশ/ র.ই