হুমকিতে বাদীর পরিবার
ধনবাড়ীতে মাছ লুটের ঘটনায় আদালতে মামলা

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীর ধোপাখালী ইউনিয়নের বন্দবেতাল এলাকায় চাঁদা না দেওয়ায় জোরপূর্বক পুকুরের মাছ লুটের ঘটনায় টাঙ্গাইল কোর্টে মামলা দায়ের করার পর থেকেই বিবাদীদের প্রাণ নাশের হুমকিতে রয়েছে ভোক্তভোগী পরিবার বলে অভিযোগ করেছেন মামলার বাদী।
মামলার বাদী বন্দবেতাল এলাকার বাসিন্দা বৃদ্ধ দরাজ আলী অভিযোগ করে জানান, আমি ও আমার পরিবারের নিজস্ব জমিতে পুকুর খনন করে যুগ যুগ ধরে মাছ চাষ করে আসতেছি। বিগত আওয়ামীলীগ সরকার দেশ ছাড়ার পর থেকেই কয়েক দফায় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে বিএনপি’র নাম ভাঙ্গিয়ে দেড় লক্ষ টাকা চাঁদা নেয় রহিম বাদশা গংরা।
হঠাৎ করেই গত ৪ জুন২৬ ইং তারিখে বন্দবেতাল গ্রামের মৃত আব্দুল কদ্দুছের ছেলে আব্দুর রহিম বাদশা গংরা তাদের সন্ত্রাসী দলবল নিয়ে আবারো ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। চাঁদার টাকা না দেওয়ায় অদৃশ্য কোন প্রভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে ওই দিনই বেড় জাল দিয়ে পুকুরের আনুমানিক ২০ লাখ টাকার মাছ ধরে নিয়ে যায়। প্রতিবাদ করতে গেলে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়।
এ ঘটনায় জাতীয় আইগত সহায়তা কেন্দ্রের ৯৯৯ নাম্বারে কল দিলেও পুলিশ ঘটনাস্থলে আসার কথা বললেও অদৃশ্য কোন কারণে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসেনি। তাই নিরুপায় হয়ে ৮ জুন ২৬ তারিখে টাঙ্গাইল কোর্টে একটি মামলা দায়ের করি।
মামলা দায়ের ও চাঁদা না দেওয়ায় পুকুরের মাছ লুটের ঘটনা নিয়ে গত ৬জুন২৬ ইং তারিখে দৈনিক আমার দেশ ও নয়া দিগন্ত সহ বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই বিএনপি’র নাম ভাঙ্গিয়ে আব্দুর রহিম বাদশা গংরা রাস্তাঘাটে যেখানেই আমি ও আমার পরিবারের লোকজনকে পাচ্ছে সেখানেই হত্যা ও আমার বাড়ীঘরে ভাংচুরসহ হামলার হুমকিও দিচ্ছে।
সন্ত্রাসী রহিম গংদের হুমকিতে আমি ও আমার পরিবার চরম উৎকন্ঠা ও নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি। উক্ত ঘটনায় ন্যায় বিচারে পুলিশ প্রশাসনসহ স্থানীয় এমপি মাননীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর জোর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এবিষয়ে বিবাদী আব্দুর রহিম বাদশা গংদের বাড়ীতে জানতে গেলে কাউকে পাওয়া যায়নি।
এঘটনায় ধনবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরুস সালাম সিদ্দিক সাংবাদিকদের জানান, কোর্ট থেকে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। উক্ত ঘটনায় সরেজমিন তদন্ত করে সঠিক তদন্ত প্রতিবেদন কোর্টে প্রেরণ করা হবে।
ভোরের আকাশ/ র.ই