শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সুনামগঞ্জের লালপুরে হ্যাপীল্যান্ড পার্ক,পর্যটনে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ২:৫৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- ভোরের আকাশ
ছবি- ভোরের আকাশ

সুনামগঞ্জের লালপুর এলাকায় নির্মিত আধুনিক বিনোদনকেন্দ্র ‘হ্যাপীল্যান্ড পার্ক’ জেলার পর্যটন শিল্পে নতুন প্রাণসঞ্চার করেছে। প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ঘেরা লালপুরে দীর্ঘদিন ধরে একটি মানসম্মত বিনোদনকেন্দ্রের অভাব ছিল। হ্যাপীল্যান্ড পার্কের যাত্রা শুরু হওয়ায় সেই শূন্যতা পূরণ হয়েছে, আর স্থানীয়রা পেয়েছেন পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপদে সময় কাটানোর এক নতুন ঠিকানা।

উদ্বোধনের পর থেকেই পার্কটি দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। প্রতিদিন ভিড় করছেন শৌখিন দর্শনার্থী, পরিবার, তরুণ-তরুণী ও শিশু-কিশোরেরা। বিশেষ করে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পার্কটি হয়ে ওঠে উপচে পড়া ভ্রমণপিপাসু মানুষের মিলনকেন্দ্র।

পার্ক কর্তৃপক্ষ জানায়, শিশুদের জন্য রাখা হয়েছে আধুনিক ও নিরাপদ রাইড, প্রশস্ত ফ্যামিলি জোন, পানির ধারে বসার মনোমুগ্ধকর স্পট, সবুজ ঘেরা পিকনিক কর্নার, ওপেন প্লে গ্রাউন্ড এবং খাবারের মানসম্মত ফুড কর্নার। দর্শনার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তায় রয়েছে সিসিটিভি মনিটরিং, দায়িত্বশীল স্টাফ ও গাইড টিম।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মতে, হ্যাপীল্যান্ড পার্ক সুনামগঞ্জের পর্যটন মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। টাঙুয়ার হাওর, বারিক টিলা, যাদুকাটা নদী, পান্থুমাই জলপ্রপাত ও হাওরপাড়ের বিস্তৃত প্রকৃতির পাশাপাশি এখন যুক্ত হলো একটি আধুনিক বিনোদনকেন্দ্র—যা পর্যটকদের থাকার সময় বাড়াবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকেও গতিশীল করবে।

পর্যটন বিশ্লেষকদের ধারণা, সুনামগঞ্জে বিনোদনভিত্তিক নতুন পর্যটনকেন্দ্রের সংখ্যা খুবই সীমিত। হ্যাপীল্যান্ড পার্ক সেই সীমাবদ্ধতাকে পেছনে ফেলে একটি সম্পূর্ণ নতুন বিকল্প তৈরি করেছে। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে স্থানীয় কর্মসংস্থান, ব্যবসা-বাণিজ্য ও আঞ্চলিক পর্যটন প্রবৃদ্ধিতে।

দর্শনার্থীরাও পার্কটিকে ইতোমধ্যেই 'পরিবারবান্ধব ও নিরাপদ বিনোদনের আদর্শ স্থান' হিসেবে মূল্যায়ন করছেন। অনেকেই পার্কটির আরও সম্প্রসারণ, নতুন রাইড সংযোজন এবং যাতায়াত সুবিধার উন্নয়ন কামনা করেছেন।

সব মিলিয়ে, লালপুরের হ্যাপীল্যান্ড পার্ক এখন শুধু একটি বিনোদনকেন্দ্র নয়—এটি সুনামগঞ্জের পর্যটনের নতুন দ্বার, যা প্রতি দিনই আরও বেশি দর্শনার্থীকে আকর্ষণ করছে এবং এলাকার সামগ্রিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।

ভোরের আকাশ/জাআ

সুনামগঞ্জহ্যাপীল্যান্ড পার্ক

শেয়ার করুন: