বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে কেসিসির মোবাইল কোর্ট

ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে নগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিয়ন্ত্রণে খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) ক্রাশ প্রোগ্রামের আওতায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।
রোববার (২৩ আগস্ট) নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে বাড়ির আঙিনা অপরিচ্ছন্ন রাখার দায়ে তিন বাড়ির মালিককে মোট ১১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুত সময়ের মধ্যে বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার করার অঙ্গীকারে আরও তিন বাড়ির মালিকের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়।
মোবাইল কোর্টের পঞ্চম দিনে নগরীর হাজী ইসমাইল লিংক রোড এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে দীপক রায়কে ৩ হাজার টাকা, উম্মে হাবিবাকে ৩ হাজার টাকা ও সাফিয়া আফরিনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কেসিসি সূত্রে জানায়, নগরীর পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে ক্রাশ প্রোগ্রামের পাশাপাশি বাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনার সীমানায় অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ বা মশার প্রজননস্থল পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট মালিকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমাতে নগরবাসীকে নিজ নিজ বাড়ি ও স্থাপনার আশপাশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানিয়েছে কেসিসি। বিশেষ করে ঝোপঝাড়, পরিত্যক্ত টায়ার, কৌটা, ডিমের খোসা, ডাবের খোল, ফুলের টব, বেসিনের নিচে, ফ্রিজ ও এসির পাশে এবং সানশেডে পানি জমে আছে কি না, সেদিকে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
কেসিসির এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল ইমরানের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে কেসিসির কনজারভেন্সি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) সদস্যরা অংশ নেন। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে কেসিসি।
এদিকে, রোববার সকাল থেকে নগরীর ২৪, ২৫, ২৬ ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে মশক নিয়ন্ত্রণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হয়।
এ সময় কেসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মীউল ইসলাম, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. অহিদুজ্জামান খান, সাবেক কাউন্সিলর মো. শমসের আলী মিন্টু, সমাজসেবক নজরুল ইসলাম বাবু, আল-বেলাল, ফয়েজ আহমেদ, আব্দুস সবুর, ওয়াহিদুর রহমান বাবু, মিজানুর রহমান বাবুল, কামরুজ্জামান সিরাজসহ সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভোরের আকাশ/জেআ