শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মণিরামপুরে বিষমুক্ত ফুলকপি চাষে সফল সাহাবুদ্দিন

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১১ নভেম্বর ২০২৫, ৭:০১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

মনিরামপুরে বিষমুক্ত নিরাপদ ও লাভজনক আগাম ফুলকপি চাষে সাফল্য অর্জন করেছেন কৃষক মো. সাহাবুদ্দিন। পৌরসভার মহাদেবপুর গ্রামের কৃষক সাহাবুদ্দিন। উপজেলা কৃষি অফিসের সহায়তায় এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বি. এম. হাফিজুর রহমানের তত্ত্বাবধানে ‘নিরাপদ উচ্চমূল্য সবজি উৎপাদন প্রদর্শনী’ হিসেবে এ চাষ বাস্তবায়ন করা হয়।

উপজেলা কৃষি অফিসের সহায়তায় সাহাবুদ্দিন ২০২৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ‘নিমজা’ জাতের আগাম ফুলকপি রোপণ করেন ২০ শতক জমিতে। সম্পূর্ণ বিষমুক্ত ও পরিবেশ বান্ধব পদ্ধতিতে এই চাষ পরিচালিত হয়েছে। কীটনাশক ব্যবহারের পরিবর্তে পোকামাকড় দমনে তিনি ২০টি সেক্সফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করেছেন।
বর্তমানে তার জমির ফুলকপিগুলো বাজারজাতের উপযোগী হয়ে উঠেছে। সাহাবুদ্দিনের আশা, এই ২০ শতক জমি থেকে তিনি প্রায় তিন লাখ টাকা আয় করতে পারবেন। এ সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি আরও ১০০ শতক জমিতে ফুলকপি চাষ শুরু করেছেন।

এই প্রদর্শনীটি বাস্তবায়িত হয়েছে যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বি. এম. হাফিজুর রহমান বলেন, “উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছাঃ মাহমুদা আক্তারের স্যারের দিকনির্দেশনায় ‘নিরাপদ উচ্চমূল্য সবজি উৎপাদন প্রদর্শনী’ প্রকল্পের আওতায় এই ফুলকপি চাষ বাস্তবায়িত হয়েছে। কৃষক সাহাবুদ্দিন অত্যন্ত যত্নসহকারে আধুনিক ও বিষমুক্ত পদ্ধতিতে আগাম ফুলকপি চাষ করেছেন। তার এই সাফল্য প্রমাণ করে, সঠিক পরামর্শ ও প্রযুক্তি ব্যবহারে কৃষকরা স্বল্প জমিতেও লাভবান হতে পারেন। সাহাবুদ্দিনের সফলতা ইতিমধ্যে আশপাশের কৃষকদের মধ্যেও আগ্রহ সৃষ্টি করেছে, যা মণিরামপুরে নিরাপদ সবজি উৎপাদন সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

ভোরের আকাশ/জাআ

মনিরামপুরবিষমুক্ত

শেয়ার করুন: