ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শহীদ লুৎফুর রহমান স্মারক গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক লুৎফুর রহমান স্মারকগ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের লেকচার থিয়েটার হল রুমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ ও সাহিত্য একাডেমির যৌথ আয়োজনে এই প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন- জেলা প্রশাসক ও বিশিষ্ট লেখক মো. আবু সাঈদ।
কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবু জাফর মোহাম্মদ আরিফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উৎসবে প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলা একাডেমির গবেষণা কর্মকর্তা মামুন সিদ্দিকী।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাহিত্য একাডেমির সাধারন সম্পাদক নূরুল আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাহিত্য একাডেমির সভাপতি কবি ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষক জয়দুল হোসেন।
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাবলিক লাইব্রেরীর সাধারণ সম্পাদক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মো. ইব্রাহিম খান সাদাত, শহীদ বুদ্ধিজীবী লুৎফুর রহমানের পরিবারের সদস্য অ্যাড. মো. আহম্মাদুন নবী রানার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. শামসুল হক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আল-আমীন শাহীন প্রমুখ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যুদ্ধে অধ্যাপক লুৎফর রহমানের অবদান ইতিহাসে অনন্য হয়ে থাকবে। পাকিস্তানী বাহিনী ১৯৭১ সালের ২৭ নভেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজ থেকে লুৎফুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে প্রেরণ করেন।
১১ দিন কারাবাসের পর ৬ ডিসেম্বর তাঁকেসহ ৩৬ জনকে কারাগার থেকে বের করে শহরের কুরুলিয়া নদীর কাউতলী অংশের বধ্যভূমিতে তাদেরকে হত্যা করে। নতুন প্রজন্মের জন্য শহীদ লুৎফুর রহমানের আত্মত্যাগ অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
প্রকাশনা উৎসবে কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পরে অতিথিরা অধ্যাপক লুৎফুর রহমান স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন।
ভোরের আকাশ/ র.ই