সাতকানিয়ায় ফ্যামিলি কার্ডের কার্যক্রম নিয়ে সংবাদ সম্মেলন

নারীর ক্ষমতায়ন, স্বাবলম্বী পরিবার গঠন ও আর্থসামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম বাস্তবায়নে দেশব্যাপী পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ কর্মসূচির আওতায় প্রকৃত উপকারভোগী নির্বাচন ও যোগ্য নারী পরিবারপ্রধানদের সরকারি সহায়তার আওতায় আনতে তথ্য সংগ্রহের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুর ২টায় চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা প্রশাসন ও সমাজ সেবা অফিসের আয়োজনে ‘ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহ বিষয়ক অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স’ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাতকানিয়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসাইন ও উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসাইন সহ অনেকেই। অনুষ্ঠানের প্রতিপাদ্য ছিল—‘ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম, স্বাবলম্বী পরিবার গড়ার প্রতিশ্রুতি।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। পাইলটিং পর্যায়ে দেশের আট বিভাগের ৪৪টি জেলার ৫৫টি উপজেলা ও সিটি করপোরেশনের ৫৭টি ইউনিটে মোট ১ লাখ ১২ হাজার ৯৪টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। যাচাই-বাছাই ও প্রক্সি মিনস টেস্ট (পিএমটি) স্কোরের ভিত্তিতে নির্বাচিত ৭১ হাজার ৮৩১ জন উপকারভোগীকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা দেওয়া হয়েছে।
দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের আওতায় তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থার তথ্য সংগ্রহ করবেন। পরে সংগৃহীত তথ্য অনলাইন ডেটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এসব তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত যোগ্য উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে দেশব্যাপী আনুমানিক ৪ কোটি ৪০ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ ও ডেটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে নতুন করে ৪০ লাখ নারী পরিবারপ্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
এ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা জোরদার, নারীর মর্যাদা বৃদ্ধি এবং পরিবারগুলোকে স্বাবলম্বী করে তোলার প্রত্যাশা করছে সরকার।
ভোরের আকাশ/ এনউব