শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শখে মিশ্র ফলচাষ, এখন আয়ের উৎস

কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৫ মে ২০২৫, ১:০৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
গাজীপুরের কালীগঞ্জে আতিকুল্লাহ ভূঁইয়া নিজের নার্সারিতে আমগাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত
গাজীপুরের কালীগঞ্জে আতিকুল্লাহ ভূঁইয়া নিজের নার্সারিতে আমগাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের বরাইয়া (ভূঁইয়া বাড়ি) গ্রামের ষাটোর্ধ কৃষক আতিকুল্লাহ ভূঁইয়া তার অদম্য ইচ্ছাশক্তি, পরিশ্রম আর কৃষির প্রতি ভালোবাসা দিয়ে রচনা করেছেন এক ব্যতিক্রমী সাফল্যের গল্প। শখের বসে শুরু করা চাষাবাদ আজ তাকে এলাকায় এক সফল কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিত করেছে।

আতিকুল্লাহ ভূঁইয়ার কৃষি যাত্রা শুরু হয় ইউটিউবের ভিডিও দেখে। প্রযুক্তির সহায়তায় শেখা চাষ পদ্ধতি ও বিদেশি ফলের প্রতি আগ্রহ থেকেই শুরু হয় তার নতুন অধ্যায়। ২০২২ সালে চুয়াডাঙ্গা থেকে সংগ্রহ করেন ১০টি বিদেশি জাতের আঙুর চারা। প্রথম প্রয়াসে সফল না হলেও হাল না ছেড়ে দ্বিতীয়বার ৫০টি চারা রোপণ করে পান কাক্সিক্ষত ফল। সেই থেকে থেমে থাকেননি তিনি।

বর্তমানে তার বাগানে আঙুর, রাম ভুটান, লিচু, কুল, মাল্টা, কমলা, আম, পেয়ারা, জামরুল, ভিয়েতনামি কাঁঠালসহ ৩৫ প্রজাতির দেশি-বিদেশি ফলের চাষ হচ্ছে। তার এই উদ্যোগ স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ জাগিয়েছে। তিনি শুধু ফল চাষেই সীমাবদ্ধ নন, গড়ে তুলেছেন একটি সফল নার্সারিও। এলাকার শত শত কৃষক তার কাছ থেকে ফলের চারা সংগ্রহ করে নিজেদের জমিতে মিশ্র ফল চাষ শুরু করেছেন। তার বাগানে ব্যবহৃত পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিগুলোর মধ্যে রয়েছে ফেরোমন ফাঁদ, কালার টেপ ইত্যাদি, যা ফলকে রাখছে বিষমুক্ত ও স্বাস্থ্যকর।

স্থানীয়রা জানায়, প্রকৃতি, পরিশ্রম ও ভালোবাসাকে সঙ্গে নিয়ে আতিকুল্লাহ ভূঁইয়ার এই উদ্যোগ এখন শুধু তার গ্রামের গর্ব নয়, বরং মিশ্র ফল চাষে তিনি পুরো উপজেলার একটি আদর্শ মডেল। তার স্ত্রী নূর আক্তার বেগম বলেন, আমার স্বামীর কৃষির প্রতি ভালোবাসা দেখে আমি সবসময় তাকে সহযোগিতা করি। তার সফলতায় পরিবার হিসেবে আমরা গর্বিত।

ভোরের আকাশা/আজাসা

শেয়ার করুন: