মোহনপুর খন্দকার আসাদুজ্জামান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসিতে শতভাগ সাফল্য

গোপালপুর উপজেলার মোহনপুর খন্দকার আসাদুজ্জামান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ সাফল্য অর্জন করেছে শিক্ষার্থীরা।
বিদ্যালয়টির মোট ৮ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই কৃতকার্য হয়েছে। ফলে বিদ্যালয়ের পাসের হার দাঁড়িয়েছে ১০০ শতাংশ।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় মোহনপুর খন্দকার আসাদুজ্জামান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মোট ৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ১ জন এবং মানবিক বিভাগে ৭ জন শিক্ষার্থী ছিল। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৮ জনই সফলতার সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে।
এ সাফল্যে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দের আবহ বিরাজ করছে। ফলাফল প্রকাশের পর বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা একে অপরকে অভিনন্দন জানান। অনেক শিক্ষার্থী ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে দেশের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ বাবুল আক্তার বলেন, “শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, অভিভাবকদের সহযোগিতা এবং শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রমের ফলেই এই শতভাগ সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার মান আরও উন্নত করে ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাব।”
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, “আমাদের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত মনোযোগী ও পরিশ্রমী। সীমিত সংখ্যক শিক্ষার্থী হলেও তাদের প্রত্যেকের প্রতি আমরা আলাদা গুরুত্ব দিয়ে পাঠদান করেছি। এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ পাসের এই ফলাফল আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের।”
সফল শিক্ষার্থী মনিকা তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলে, “এই ফলাফলে আমরা খুবই আনন্দিত। আমাদের শিক্ষকরা নিয়মিত পড়াশোনায় উৎসাহ দিয়েছেন এবং পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন। ভবিষ্যতে আরও ভালোভাবে পড়াশোনা করে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।”
আরেক শিক্ষার্থী শ্রাবনী বলেন, “শিক্ষকদের পরামর্শ ও পরিবারের সহযোগিতা আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। আমাদের বিদ্যালয় থেকে সবাই পাস করায় আমরা আনন্দিত ও গর্বিত।”
বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের এই সাফল্য আগামী দিনে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ আরও সমৃদ্ধ করতে অনুপ্রেরণা জোগাবে। শতভাগ পাসের এ অর্জন বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রতিফলন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ভোরের আকাশ/রই