পীরগঞ্জে মিশুক চালকের মরদেহ উদ্ধার

রংপুরের পীরগঞ্জ মিশুক চালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার সকালে উপজেলার বড়আলমপুর মোক্তাগাড়ি নির্জন পাথার থেকে ওই মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
ঘটনাটি জানাজানি মুহূর্তে খবর ছড়িয়ে পড়লে শতশত লোক ভিড় জমায়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার বড়আলমপুর ইউনিয়নের মোক্তাগাড়ির নির্জন পাথারের পরিত্যক্ত রাস্তার পাশে ফাঁকা জমিতে এক ব্যক্তির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, নিহত ব্যক্তি চতরা ইউপি’র গোবিন্দপাড়া গ্রামের মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে নুরুল ইসলাম (৫৫)। মরদেহ উদ্ধারের সময় গলায় মাফলার প্যাঁচানো ছিল। তিনি দিনে কৃষি কাজ ও রাতে খণ্ডকালীন সময় মিশুক গাড়ি চালাতেন। এখন পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো কিছু নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।
নিহতের ভাতিজা রুমেল মিয়া বলেন, দিনের বেলা আমি নিজস্ব মিশুক গাড়ি চালাই। সন্ধ্যার পর মিশুকটি আমার চাচা নুরুল ইসলাম প্রায়ই রাত ১০টা পর্যন্ত চালাতো। শনিবার সন্ধ্যার পর চতরাহাট থেকে আমার কাছে থেকে মিশুক নিয়ে বেরিয়ে যায় প্রতিদিনের মতো। রাত ৯টার দিকে মোবাইলে কথা হলে জানান, আমি হরিণসিংহ দিঘি থেকে রিজার্ভ ভাড়া পেয়েছি। এই ভাড়া খেটে তাড়াতাড়ি চলে আসব। সকালে তার মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই গিয়ে চাচার গলায় মাফলার পেচানো নিথর দেহ দেখতে পাই। মিশুক ভ্যানটি নাই। ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার কওে শাস্তি চাই।
পীরগঞ্জ থানার ওসি মো: সোহেল রানা জানান, মৃত্যু ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, মিশুক গাড়ি ছিনতাইয়ের জন্য তাকে গলায় মাফলার পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ভোরের আকাশ/মো.আ.