শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নড়াইলে ঐতিহ্যবাহী ষাঁড়ের লড়াই দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়

নড়াইল প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৩১ আগস্ট ২০২৫, ১০:০৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ষাঁড়ের লড়াই। শনিবার (৩০ আগস্ট) সকালে উপজেলার রঘুনাথপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে নবীন যুব সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম। 

ষাঁড়ের লড়াই ঘিরে সকাল থেকেই মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। দুপুর গড়াতেই রঘুনাথপুর বিদ্যালয়ের মাঠের চারিপাশে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। কেউ স্কুলের বারান্দায় কেউ বাড়ির ছাদ আবার কেউ গাছে উঠে উপভোগ করেন এ ষাড়ের লড়াই। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বয়স্করাও লড়াই দেখতে ভিড় করেন। প্রতিযোগিতায় আড়পাড়া, যাদবপুর,শোলপুর,মির্জাপুর, পেড়লী সহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ৩০ টি ষাঁড় অংশ নেয়।

মির্জাপুর থেকে আসা সুবুদ্ধি বিশ্বাস বলেন, আমিসহ আমাদের গ্রাম থেকে নসিমন যোগে ১৫ জন এক সাথে ষাড়ের লড়াই দেখেছি৷ ষাঁড়ের লড়াই  দেখার আনন্দ আলাদা৷ যদি বৃষ্টি না হত তাহলে এখানে আসা মানুষ আরো সুন্দর ভাভে এ প্রতিযোগিতা  উপভোগ করতে পারত৷

আয়োজকদের মতে, গ্রাম বাংলার মানুষের বিনোদন সামাজিক ঐক্যের প্রতীক এই ষাড়ের লড়াই।  আমাদের সবার পুরোনো এই ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা উচিত যাতে করে আগামী প্রজন্ম কাছে এটি জীবন্ত থাকে। ষাঁড়ের লড়াই শুধু একটি সাধারণ খেলা নয়,এটি বাংলার গ্রামীণ সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।

আয়োজক হাসিফ শেখ বলেন, আগে বিভিন্ন মেলা, উৎসব ও বিশেষ উপলক্ষে এই লড়াই আয়োজন করা হতো।বিগত ১৫ বছর ফ্যাসিস্ট সরকারের জন্য গ্রাম বাংলার এই ঐতিহ্যবাহী এই খেলা এই মাঠে দিতে পারি নাই।জেলা বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর বিশ্বাসের নেতৃত্বে এ বছর আমরা এটার আয়োজন করেছি।আমরা চেষ্টা করব আগামী প্রজন্ম যাতে করে এটা ধরে রাখতে পারে। গ্রামের সবাই এই আনন্দ বিনোদন এক সাথে অংস নিতে পারে সেই উদ্দেশ্য আমাদের এই আয়োজন।

নবীন যুব সংঘের সভাপতি ও ষাড়ের লড়াইয়ের আয়োজক মো. সায়েবুজ্জামান তোহা বলেন, গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে ও নতুন প্রজন্মকে এর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতেই এ আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজনে বিপুল দর্শনার্থীর উপস্থিতিতে বুঝা যায়, এখনো মানুষ এই ঐতিহ্যের প্রতি আকৃষ্ট। আমরা আাগমিতে ও ঐতিহ্য ধরে রাখাতে  এ ধরনের আয়োজন করব সচেতন উদ্যোগ। তাই ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন করা হবে।

ভোরের আকাশ/মো.আ.

যুব সংঘষাঁড়ের লড়াইনড়াইল

শেয়ার করুন: