শিরোনাম
ইউপি ভোট: প্রথম ধাপের তফসিল ১০ ডিসেম্বরডিসেম্বরকে সামনে রেখে অস্থিতিশীলতা তৈরির পাঁয়তারা চলছে: শ্রমমন্ত্রী১৩ সিটি করপোরেশনে ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন শুরু সোমবারগার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে বোর্ড গঠন, গেজেট প্রকাশসাজেকে দুই পক্ষে ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলি, অবরোধে বন্ধ বড় যান চলাচলঅক্টোবরে রেমিট্যান্স এলো ৩৫ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা৩১৮ কারখানা বন্ধ, কাজে নেই ৭ লাখ শ্রমিক৩ নভেম্বর সোলার এক্সপো উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রীইউপি ভোট: প্রথম ধাপের তফসিল ১০ ডিসেম্বরডিসেম্বরকে সামনে রেখে অস্থিতিশীলতা তৈরির পাঁয়তারা চলছে: শ্রমমন্ত্রী১৩ সিটি করপোরেশনে ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন শুরু সোমবারগার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে বোর্ড গঠন, গেজেট প্রকাশসাজেকে দুই পক্ষে ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলি, অবরোধে বন্ধ বড় যান চলাচলঅক্টোবরে রেমিট্যান্স এলো ৩৫ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা৩১৮ কারখানা বন্ধ, কাজে নেই ৭ লাখ শ্রমিক৩ নভেম্বর সোলার এক্সপো উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

যৌথ সামুদ্রিক মহড়ায় অংশ নিতে চট্টগ্রাম বন্দরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৪২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
যৌথ সামুদ্রিক মহড়ায় অংশ নিতে চট্টগ্রাম বন্দরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ
যৌথ সামুদ্রিক মহড়ায় অংশ নিতে চট্টগ্রাম বন্দরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সঙ্গে যৌথ সামুদ্রিক প্রশিক্ষণ ও মহড়ায় অংশ নিতে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর মাইন প্রতিরোধী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ওয়ারিয়র (এমসিএম-১০)। 

পাঁচ দিনব্যাপী এ মহড়ার মাধ্যমে দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি আঞ্চলিক সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রোববার (১ নভেম্বর) জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করে। ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ‘কো-অপারেশন অ্যাফ্লোট রেডিনেস অ্যান্ড ট্রেনিং (ক্যারাট) বাংলাদেশ ২০২৬’ নামের এ যৌথ সামরিক কার্যক্রম আগামী ২ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে।

চট্টগ্রাম বন্দরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজটি পৌঁছানোর পর জাহাজের কর্মকর্তা ও নাবিকদের স্বাগত জানান ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষা অ্যাটাশে মেজর কার্স্টেন ফ্লেচার।

যুক্তরাষ্ট্রের মাইন প্রতিরোধী জাহাজ ইউএসএস ওয়ারিয়রের এ সফর বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান নৌ-সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এ মহড়ায় দুই দেশের নৌবাহিনীর সদস্যরা সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পাবেন।

মার্কিন দূতাবাসের ভাষ্য অনুযায়ী, ক্যারাট বাংলাদেশ ২০২৬ আয়োজনের মধ্য দিয়ে আঞ্চলিক সমুদ্র নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ ও প্রতিশ্রুতি প্রকাশ পেয়েছে।

এ ধরনের যৌথ মহড়ার অন্যতম লক্ষ্য হলো দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ বৃদ্ধি, পেশাগত দক্ষতা বিনিময় এবং পারস্পরিক আস্থা ও বোঝাপড়ার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত করা। পাশাপাশি সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উভয় দেশের বাহিনীর কার্যকর সমন্বয় গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

দূতাবাস আরও উল্লেখ করেছে, বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে বিশেষ গুরুত্ব দেয় যুক্তরাষ্ট্র। অভিন্ন সামুদ্রিক স্বার্থ ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত লক্ষ্য বাস্তবায়নে দুই দেশের অংশীদারিত্ব এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রেও এ মহড়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ক্যারাট বাংলাদেশ ২০২৬-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের নৌসদস্যদের মধ্যে বাস্তব অভিজ্ঞতা বিনিময়, দক্ষতা উন্নয়ন এবং পেশাগত সম্পর্ক আরও গভীর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে সামুদ্রিক নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দুই দেশের নৌবাহিনীর পারস্পরিক সহযোগিতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

ভোরের আকাশ/রই

শেয়ার করুন: