শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভূমিকম্পে ঝুঁকির তালিকায় এবার টাঙ্গাইলের মধুপুর ফল্ট

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ নভেম্বর ২০২৫, ১০:১০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের নিচে ইন্ডিয়ান, ইউরেশিয়ান ও বার্মা—এই তিনটি টেকটোনিক প্লেট একটানা নড়াচড়া করছে। এর ফলে ডাউকি, মধুপুর, সিলেট লাইনমেন্টসহ বেশ কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ ফল্ট লাইন তৈরি হয়েছে। এদের মধ্যে সবচেয়ে বড় ভূমিকম্পের প্রধান উৎস হলো মধুপুর ফল্ট।

ভূতাত্ত্বিকদের মতে, মধুপুর ফল্টে প্রায় ৪০০ বছর ধরে চাপ জমে আছে। এই চাপ মুক্তি পেলে রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ৮ পর্যন্ত হতে পারে। রাজধানী ঢাকা এই ফল্ট থেকে মাত্র ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, মধুপুর ফল্টে যদি ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্পও হয়, তবে ঢাকার ৪০ থেকে ৬৫ শতাংশ ভবন ধসে পড়তে পারে।

এদিকে টাঙ্গাইলের মধুপুর ফল্টের তথ্য সংগ্রহ ও ভূমিকম্পমাত্রা নিরূপণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে একটি 'সিসমোগ্রাফ মেশিন' স্থাপন করা হলেও এখন তার কোনো হদিস নেই। ফলে ভূমিকম্পপ্রবণ মধুপুর গড় অঞ্চল ও আশপাশের এলাকার সঠিক তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যাচ্ছে না।

গত শুক্রবার নরসিংদী থেকে শুরু হওয়া ভূমিকম্পে পুরো দেশ কেঁপে ওঠার পর মধুপুরবাসীর মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, টাঙ্গাইল আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রয়েছে। ভূমিকম্পের আগে কোনো ধরনের পূর্বাভাস পাওয়া গেলে তারা অন্তত সতর্ক থাকতে পারতেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জুবায়ের হোসেন বলেন, সচেতনতা ও প্রস্তুতি থাকলে ক্ষতি অনেকটাই কমানো সম্ভব। উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, টাঙ্গাইল একটি উদীয়মান শহর হলেও নতুন ভবনগুলো পরিকল্পিতভাবে নির্মিত হচ্ছে না। পৌরসভা এসব ভবনের মান যথাযথভাবে যাচাই করছে কি না—তা নিয়েও প্রশ্ন আছে।

এমবিএসটিইউ-এর পরিবেশ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এএসএম সাইফুল্লাহ জানান, প্রযুক্তির সঠিক প্রয়োগ করলে ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমানো যায়। মধুপুরের নিরাপত্তা জোরদারে আধুনিক কিছু ডিভাইস আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের এক ভূমিকম্পে মধুপুরের অরণখোলা ইউনিয়নের বোকারবাইদ গ্রামে প্রায় এক কিলোমিটারজুড়ে ফাটল দেখা দিয়েছিল। ওই ফাটলের ব্যাস ছিল ৫–৬ ইঞ্চি এবং গভীরতা প্রায় ২৫–২৬ ফুট।

ভোরের আকাশ/মো.আ.


 

মধুপুরভূমিকম্পটাঙ্গাইল

শেয়ার করুন: