শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

পরশুরাম আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঈদ আনন্দের আড়ালে অভাবের গল্প

ফেনী প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৭ মার্চ ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

পবিত্র ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর জন্য আনন্দ ও উৎসবের দিন। তবে এই আনন্দ সবার জীবনে সমানভাবে ধরা দেয় না। ফেনীর পরশুরাম উপজেলার আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাসকারী অনেক পরিবারের জন্য ঈদ আসে আনন্দের পাশাপাশি বাস্তবতার কঠিন অভাবের গল্প নিয়ে।

সরকারের উদ্যোগে গৃহহীন ও ভূমিহীন মানুষের জন্য নির্মিত আশ্রয়ণ প্রকল্পে মাথা গোঁজার ঠাঁই পেলেও এখানকার বেশিরভাগ পরিবার দিনমজুরি, রিকশা চালানো কিংবা ক্ষুদ্র ও অনিয়মিত আয়ের ওপর নির্ভরশীল। ফলে ঈদ সামনে এলেও অনেক পরিবারই এখনো পুরোপুরি প্রস্তুতি নিতে পারেনি।

প্রকল্পের বাসিন্দা মেহেদী হাসান বলেন, ‘কেউ কেউ নতুন কাপড় কিনতে পারলেও অনেক পরিবারে এখনো ঈদের বাজার সম্পূর্ণ হয়নি। তারপরও ছোট ছোট স্বপ্ন নিয়েই শিশু-কিশোররা ঈদের অপেক্ষায় আছে-নতুন জামা, ভালো খাবার আর পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর আশা তাদের চোখেমুখে।’

আরেক বাসিন্দা, পেশায় রিকশাচালক, আক্ষেপ করে বলেন, ‘রিকশা চালিয়ে স্ত্রী-সন্তানের মুখে খাবার তুলে দেওয়াই কষ্টের। ঈদ আমাদের মতো গরিবদের জন্য আসে না। ঈদ আসে বিত্তবানদের জন্য,যারা বড় মার্কেটে গিয়ে হাজার টাকার পোশাক কিনে। আমাদের কিছু ঈদ আসলেও কি, না আসলেও কি। তারপরও সন্তানের মুখের দিকে তাকালে বুকটা ফেটে যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘পাশের বাবারা যখন সন্তানদের জন্য নতুন পোশাক কিনে আনে, তখন আমার মেয়েও বলে-বাবা, ঈদের জামা কবে কিনে দেবে? বান্ধবীর বাবা সুন্দর জামা কিনে দিয়েছে। বলেন তো, এমন কথা শুনে কোন বাবা স্থির থাকতে পারে? নিজে না খেয়ে হলেও সন্তানদের গায়ে ঈদের নতুন পোশাক তুলে দিতে হয়।’

স্থানীয়দের মতে, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এগিয়ে এলে এসব পরিবারের ঈদের আনন্দ আরও বাড়তে পারে। সহযোগিতার হাত বাড়ালে আশ্রয়ণ প্রকল্পের শিশুদের মুখেও পূর্ণতার হাসি ফুটবে।

ভোরের আকাশ/ র.ই

আশ্রয়ণ প্রকল্পমেহেদী হাসান

শেয়ার করুন: