শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

উদ্ধারেরর ২৪ ঘন্টা পার হলেও ট্রমা কাটেনি বাঘের, বাম পায়ে গভীর ক্ষত

খুলনা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৭ জানুয়ারি ২০২৬, ৪:০৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

সুন্দরবনে শিকারীর ফাঁদ থেকে উদ্ধারের ২৪ ঘন্টা পার হলেও এখনও ট্রমা কাটেনি বাঘটির। সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুর পর্যন্ত বাঘটি খাবার মুখে দেয়নি। দীর্ঘদিন ধরে অভুক্ত শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে প্রাণিটি। আপাতত স্যালাইন মিশ্রিত পানি পান করছে সে। 

এদিকে ফাঁদের কারণে বাঘটির সামনের বাম পায়ে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। ফাঁদটি ধারালো এবং মজবুত হওয়ায় পায়ের নিচের অংশে রক্ত চলাচল দীর্ঘক্ষণ বন্ধ ছিল। সেখানে ঘায়ের মতো তৈরি হয়েছে। উদ্ধারের পর সেখানে জীবাণুনাশক স্প্রে দিয়েছেন চিকিৎসকরা। বাঘটি এখনও আশঙ্কামুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন বন কর্মকর্তারা। আপাতত বাঘের খাঁচাটি ঢেকে রাখা হয়েছে। সেখানে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। রোববার দুপুরে সুন্দরবনের ভেতর থেকে হরিণ শিকারের পাতা ফাঁদে আটকা পড়া বাঘটি উদ্ধার করে বনবিভাগ। পূর্ণবয়স্ক স্ত্রী প্রজাতির বাঘটির ওজন প্রায় ১০০ কেজি। প্রায় ৪-৫ দিন ধরে বাঘটি আটকা ছিল বলে ধারণা করছে বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা। রোববার সন্ধ্যায় বাঘটি খুলনায় বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনবার্সন কেন্দ্রে আনা হয়। বর্তমানে সেখানেই রয়েছে বাঘটি।

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা নির্মল কুমার পাল জানান, ‘ট্রানকুইলাইজার গান’ ব্যবহার করে অচেতন অবস্থায় বাঘটি খুলনায় আনা হয়। সন্ধ্যায় তার জ্ঞান ফিরেছে। রাত ১০টায় একবার উঠে বসে। তবে কিছু মুখে দেয়নি। আগে থেকেই স্যালাইন মিশ্রিত পানি দেওয়া হয়েছিল। সোমবার সকালে অল্প করে পানি পান করেছে। কিন্তু অন্য কোনো খাবার মুখে দেয়নি। তিনি জানান, প্রথমে বাঘটিকে আস্ত মুরগি দেওয়া হয়েছিল। না খাওয়ায় পরে মুরগি কেটে টুকরো টুকরো করে দেওয়া হয়। দুপুর পর্যন্ত সেটিও মুখে দেয়নি। তাকে গরুর কলিজা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার কারণে বাঘটি দুর্বল হয়ে পড়ে। খাবার না খাওয়ায় কিছুটা দুশ্চিন্তা হচ্ছিলো। এছাড়া বাম পায়ে তৈরি হওয়া গভীর ক্ষত বাঘটিকে কষ্ট দিচ্ছে।

নির্মল কুমার পাল বলেন, কয়েকদিন ধরে বন্দি থাকার কারণে বাঘটি এক ধরনের ট্রমার মধ্যে রয়েছে। রোববার সারারাত খাঁচা থেকে বের হয়নি। সোমবার দুপুর পর্যন্ত মাত্র দুইবার বের হয়েছে। মানুষ দেখে তার মধ্যে যেন আতঙ্ক তৈরি না হয়, এজন্য খাঁচার চারপাশে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের ভেতর কোনো মানুষ প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। গাজীপুর সাফারি পার্কের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. জুলকার নাইমের তত্ত্বাবধানে বাঘের চিকিৎসা চলছে।

ভোরের আকাশ/র.ই

বন্যপ্রাণীবনবিভাগনির্মল কুমার পাল

শেয়ার করুন: