শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রংপুরের কৃষি খাতে নতুন সম্ভাবনার নাম সৌরবিদ্যুৎ

রংপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

রংপুরের কৃষি খাতে নতুন সম্ভাবনার নাম এখন সৌরবিদ্যুৎ। সেচ মৌসুমে ডিজেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ইতোমধ্যেই “আশার আলো” দেখাচ্ছে সৌরচালিত সেচ ব্যবস্থা। 

প্রতিদিন প্রায় ৫ দশমিক ৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে সাশ্রয় হচ্ছে বিপুল পরিমাণ ডিজেল, কমছে কৃষি খরচ—তবে সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না এই প্রযুক্তি। 

রংপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলা ঘুরে দেখা যায়, কৃষির মাঠে বইছে বদলের হাওয়া। ঝামেলাহীন ও তুলনামূলক কম খরচে সূর্যের আলোই হয়ে উঠছে সেচের প্রধান শক্তি। সৌরচালিত পাম্পের মাধ্যমে কৃষকরা পাচ্ছেন নিরবচ্ছিন্ন সেচ সুবিধা। ডিজেলের সংকট, মূল্যবৃদ্ধি কিংবা সরবরাহজনিত ভোগান্তি থেকে অনেকটাই মুক্তি পেয়েছেন তারা। 

স্থানীয় কৃষকরা জানান, আগে সেচের জন্য ডিজেলের ওপর নির্ভর করতে হতো, যা ছিল ব্যয়বহুল ও ঝামেলাপূর্ণ। এখন সৌর পাম্প ব্যবহারের ফলে খরচ কমেছে, সেচ কার্যক্রমও সহজ হয়েছে। এতে কৃষি উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি লাভের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। তবে এ খাতে কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। 

সংশ্লিষ্টরা জানান, বছরে প্রায় ৬ মাস সেচ কাজে ব্যবহৃত হলেও বাকি ৬ মাস এসব সৌরচালিত পাম্প প্রায় অচল অবস্থায় পড়ে থাকে। ফলে উৎপাদিত বিদ্যুতের বড় একটি অংশ অপচয় হচ্ছে। 

এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতে, বন্ধ মৌসুমে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করে নেট মিটারিং ব্যবস্থা চালু করা গেলে কৃষক ও সরকার উভয়েই উপকৃত হবে। এতে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি কৃষকদের জন্য অতিরিক্ত আয়ের সুযোগও তৈরি হবে। 

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) রংপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী (নির্মাণ) হুসাইন মোহাম্মদ আলতাফ বলেন, “নেট মিটারিং চালু করা গেলে এই সৌরচালিত সেচযন্ত্রগুলো শুধু কৃষিকাজেই নয়, জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থায়ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবে। এসৌর বিদুত্য দিয়ে ৮০ হাজার ফ্যান চালানো সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি। 

তথ্য অনুযায়ী, রংপুর বিভাগে বর্তমানে মোট ৫৯৬টি সৌরচালিত সেচযন্ত্র চালু রয়েছে। এ উদ্যোগ কৃষি সেচ ব্যবস্থাকে টেকসই করার পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। 

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রয়োজন শুধু সঠিক পরিকল্পনা, সমন্বয় এবং কার্যকর নীতিমালা। তাহলেই রংপুরের সৌরবিদ্যুতের এই সম্ভাবনা শুধু কৃষি খাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং জাতীয় অর্থনীতিতেও রাখতে পারবে উল্লেখযোগ্য অবদান।

ভোরের আকাশ/ র.ই
 

সৌরশক্তিহুসাইন মোহাম্মদ আলতাফ

শেয়ার করুন: