শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সান্তাহারে ১৮ বছরেও চালু হয়নি ২০ শয্যা হসপিটাল

আদমদিঘী (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ৫:২১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

বগুড়া আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারে তৎকালীন বিএনপির সরকারের সময় ২০০৬ সালের ২২ অক্টোবর ব্যাপক আয়োজনের মধ্য দিয়ে হাসপাতালটি উদ্বোধন করা হয়।

সিএমএমইউ এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ও তত্ত্বাবধানে ৩ কোটি ৩৩ লাখ ১২ হাজার টাকা ব্যায়ে সান্তাহার রথবাড়ী এলাকায় ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল এর নির্মাণকাজ শুরু হয় ৫০ ভাগ নির্মাণ কাজ হওয়ার পর হঠাৎ কাজ বন্ধ হয়ে যায়।  ফাসিস্ট আওয়ামী সরকারের সময় মদ ও জুয়ার আখড়ায় পরিণত হয় দীর্ঘ দিন ধরে।

১৫ বছর পর সংস্কারকাজ শুরু হয় ২০২১ সালে কাজ সমাপ্ত করে ২৩ জন কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয় তারা বিভিন্ন সরকারি হসপিটালে কর্মরত রয়েছেন।

হসপিটালে এর অফিস সহকারী সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, হসপিটালটি চালু করতে আরো পাঁচ কোটি টাকা লাগবে।

সাবেক ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ওয়াহিদুল ইসলাম বলেন, সান্তাহারে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ বসবাস করে হসপিটালটি চালু না থাকায় সাধারণ জনগণ ভোগান্তির শিকার হয় প্রতিদিন।

এলাকাবাসী সেলিম জানান, পার্শ্ববর্তী হসপিটাল নওগাঁ জেলায় ও আদমদীঘি হওয়াতে তাদের অনেক ভোগান্তির শিকার হতে হয়।  এই হসপিটালটি চালু হলে তাদের চিকিৎসা সেবার মান বেড়ে যেত সান্তাহার বাসীর জন্য।

আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে ফোন না ধরায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নাই।

ভোরের আকাশ/জাআ

হসপিটালসান্তাহার

শেয়ার করুন: