কাউখালীতে সবজির দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে

পিরোজপুরেরগ কাউখালীতে সবজির দাম দিন দিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। অসহায় সাধারণত ক্রেতারা। নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজির দাম লাগামহীন এই মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ ও নিম্নআয়ের মানুষের নাভিশ্বাস উঠলেও বাজার নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো ভূমিকা নেই।
শুক্রবার কাউখালী দক্ষিণ বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় প্রতিটি সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়, পটল ৮০ টাকা, বরবটি ৭০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ঝিঙ্গা ৭০ টাকা, রেহা ৬০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা ,গাজর ৬০ টাকা, শসা ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ দরে কেজি বিক্রি আছে। বাজারে আসা মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত ক্রেতারা জানান, আয়ের সাথে ব্যয়ের কোনো মিল নেই। সাধারণ একজন দিনমজুর বা রিকশাচালকের পক্ষে এক কেজি সবজি কেনাই এখন অসম্ভব হয়ে পড়েছে।বাজারে আসা ক্রেতা হাতেম আলী ও সরোয়ার হোসেন আক্ষেপ করে বলেন,সবজি কেনারও সাধ্য নেই। বাজারে কোনো তদারকি নেই, যে যার মতো দাম হাঁকাচ্ছে।খুচরা বিক্রেতা সুজনের দাবি, আড়তে মাল কম এবং পাইকারি পর্যায়ে দাম বেশি থাকায় তারা বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।
পরিবহন খরচ বৃদ্ধিকেও দাম বাড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখান তারা।স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। মাঝেমধ্যে লোকদেখানো অভিযান চললেও নিয়মিত তদারকির অভাবে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়াচ্ছেন। নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং বাজার কমিটিগুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় আনলে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব বলে মনে করেন তারা।
এ ব্যাপারে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, প্রয়োজন বোধে বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা আরো জোরদার করা হবে। যদি কোন ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করে তাহলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে।
ভোরের আকাশ/এনউব