বরিশালকে সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত করতে বিএমপি কমিশনারের ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি) কমিশনার মো. আশিক সাঈদ (ডিআইজি) নগরীতে যোগদানের পর থেকেই আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নানামুখী প্রশংসনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।
মাদক নির্মূল, চিহ্নিত অপরাধীদের গ্রেফতার এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর কর্মকাণ্ড ও নাশকতা প্রতিরোধে তাঁর কঠোর অবস্থান সর্বমহলে সমাদৃত হচ্ছে।
আগামী ২৩শে জুন নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে নগরীতে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা, অবৈধ মিছিল-মিটিং বা অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটতে পারে, সেজন্য বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে মেট্রোপলিটন পুলিশ। ইতিমধ্যেই পুলিশের বিশেষ অভিযানে বেশ কয়েকজন চিহ্নিত বিশৃঙ্খলাকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান পুলিশ কমিশনার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বরিশাল মহানগর এলাকায় চুরি, ছিনতাই, রাহাজানি এবং কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। বিএমপি কমিশনারের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনায় নগরীর প্রতিটি থানা ও ফাঁড়ি পুলিশ জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ও নিরাপত্তার পরিবেশ তৈরি হওয়ায় সর্বস্তরের নাগরিকদের কাছ থেকে সাধুবাদ পাচ্ছে পুলিশ প্রশাসন।
এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. আশিক সাঈদ (ডিআইজি) গণমাধ্যমকে বলেন, "আমি যতদিন বরিশালে দায়িত্বরত থাকবো, এই নগরীকে একটি শান্তিময় ও সম্পূর্ণ নিরাপদ শহর হিসেবে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাব। বরিশাল নগরী হবে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও কিশোর গ্যাংমুক্ত। সাধারণ মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে শতভাগ পুলিশি সেবা পেতে পারেন, সে লক্ষ্যে পুলিশের প্রতিটি সদস্যকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে জনগণের সেবক হিসেবে পাশে থাকাই আমাদের মূল লক্ষ্য।"
বিএমপি’র এমন চৌকস ও কর্মদক্ষ ভূমিকার কারণে বরিশাল নগরী সাধারণ মানুষের কাছে একটি অনন্য নিরাপদ নগরী হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ভোরের আকাশ/ র.ই