সাতকানিয়ায় জাল বসানোকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার নলুয়া ইউনিয়নে নোয়া খালে মাছ ধরার জাল বসানোকে কেন্দ্র করে জেলা সম্প্রদায়ের দুই গ্রুপের মধ্যে একে অপরের জাল চুরি ও জায়গা দখল নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে।
অভিযোগ সূত্রে ও রাজু জলদাশ বলেন, গত কিছুদিন আগে আমার একটি জাল চুরি করে নিয়ে যায় মৃদুল জলদাশ, লিটন জলদাশ, গ্যাং রা। সেটা নিয়ে স্থানীয়ভাবে বিচার দিলে তারা ১৫ দিনের সময় নেন। কিন্তু তারা আমার জালের ক্ষতিপূরণ না দেওয়ার জন্য রাতের অন্ধকারে নিজেদের মাছ ধরার নৌকা ও জাল পুড়িয়ে দেন। তারা আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ দেন থানায়।
মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত করায় (১৫ জুলাই) সকালে পারভেজ বাদী হয়ে মৃদুল জলদাশ, লিটন জলদাশ, টিটু জলদাশ, সুনীল জলদাশ, নুনুক জলদাশ ও অজিৎ জলদাশকে বিবাদী করে পাল্টা লিখিত অভিযোগ দায়ের করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সাতকানিয়া থানায় কাছে।
তারা আরও বলেন, আমরা সঠিক বিচার চাই আমাদের উপর মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে।
অভিযোগকারী পারভেজ বলেন, কিছু দিন আগে রাজু জলদাশের মাছ ধরার জাল চুরি করে নিয়ে যায় মৃদুল জলদাশ'রা। চুরি জালটা ফেরত দেওয়ার জন্য বললে তারা কিছু দিনের সময় নেন, কিন্তু উল্টো তাদের নৌকা তারা পুড়িয়ে দিয়ে আমাদের নামে থানায় মিথ্যা অভিযোগ করেন। এ কারণে আমিও অভিযোগ দায়ের করি যাতে সুষ্ঠু তদন্ত করে অপরাধীদের বিচার কারা হোক।
জেলে সম্প্রদায়ের এমন কর্মকান্ড দেখে স্থানীয়রা জানান, এক সময় এই খালটি উন্মুক্ত ছিল। এলাকার মানুষও মাঝেমধ্যে হাত জাল দিয়ে মাছ ধরত কয়েক বছর ধরে। জেলেরা জাল বসান যার ফলে স্থানীয়রা আর হাতজাল দিয়ে মাছ ধরতে পারে না। মাঝেমধ্যে তাদের ভেতর দ্বন্দ্ব দেখা যায। যার ফলে এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। আমরা চাই খালটি আগের মত উন্মুক্ত করে দেওয়া হোক।
অভিযুক্তদের কাছে জানাতে চাইলে তারা বলেন, কেন আমরা আমাদের ক্ষতি করব, রাতের অন্ধকারে তারা পুড়িয়ে দিয়েছে জাল আর নৌকা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি জাহেদুল ইসলাম বলেন, উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নিবো।
ভোরের আকাশ/জাআ