শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সীমান্তে আবারও মাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা যুবকের পা বিচ্ছিন্ন

কক্সবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ৪:২২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় আবারও স্থলমাইন বিস্ফোরণে মো. ইউনুছ (২৫) নামে এক রোহিঙ্গা যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। 

বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়ার পালংখালী সীমান্তের বিপরীতে মিয়ানমারের অভ্যন্তরের চাকমাকাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত ইউনুছ উখিয়ার ক্যাম্প-১৯-এর বাসিন্দা। বিস্ফোরণের পর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠান। 

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক শান্তনু ঘোষ জানান, তার ডান পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হয়েছে এবং অবস্থা আশঙ্কাজনক। 

এর আগে গত ১০ এপ্রিল একই সীমান্ত এলাকায় আরেক বিস্ফোরণে মো. সাদেক (২৫) নামে এক রোহিঙ্গা যুবক গুরুতর আহত হন। মাছ ধরতে গিয়ে মাইনের ওপর পা পড়লে তার এক পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন এবং অন্য পা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

স্থানীয়রা জানান , মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে দুই রোহিঙ্গার পা বিচ্ছিন্ন হওয়ায় সীমান্তজুড়ে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। খাদ্যসংকট ও জীবিকার তাগিদে অনেক রোহিঙ্গা ঝুঁকি নিয়েই সীমান্ত এলাকায় যাতায়াত করছেন।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) উখিয়া-৬৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম জানান, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে শূন্যরেখার ওপারে মাইন পুঁতে রাখা হয়েছে, যা চলাচলকারীদের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের সীমান্তে না যাওয়ার জন্য নিয়মিত সতর্কতা জারি ও মাইকিং করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাফ নদীর পূর্ব তীরসহ বিভিন্ন চর ও বাগান এলাকায় এসব মাইন পুঁতে রাখা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে মাইন বিস্ফোরণের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে প্রাণহানির আশঙ্কা আরও বাড়তে পারে।

ভোরের আকাশ/ র.ই


 

রোহিঙ্গাশান্তনু ঘোষ

শেয়ার করুন: