শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

তীব্র গরমে বেড়েছে হাতপাখার কদর

বাবুল আহমেদ, মানিকগঞ্জ

প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৫, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
তীব্র গরমে বেড়েছে হাতপাখার কদর
তীব্র গরমে বেড়েছে হাতপাখার কদর

মানিকগঞ্জসহ দেশজুড়ে চলছে তীব্র দাবদাহ। এর সঙ্গে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত জনজীবন। গরমের এই সময়ে মানিকগঞ্জের বিভিন্ন মোড়ে ফেরি করে হাতপাখা বিক্রি করতে দেখা যাচ্ছে। এতে এসব হাতপাখার কদর বেড়েছে অনেকগুণ।

মানিকগঞ্জ পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, একাধিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রাস্তায় বসে হাতপাখা বিক্রি করছেন। এসব পাখা প্রতিটি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়, যেখানে আগে তা ২০-২৫ টাকায় পাওয়া যেত। পাখা কিনতে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে অনেকেই ভিড় করছেন।

বৈদ্যুতিক ফ্যানের বিকল্প হিসেবে হাতপাখার ব্যবহার বহুদিনের। বিশেষ করে গ্রামীণ জীবনে তাল ও কেওয়া পাতার তৈরি এই পাখাগুলোর রয়েছে ঐতিহ্য। তালপাতা কেটে শুকিয়ে তাতে আল্পনার মতো নকশা করে তৈরি করা হয় একটি ধরণ। আবার কেওয়া পাতার পাখা বাঁশের কঞ্চি ও সুতা দিয়ে তৈরি হয়।

এক বিক্রেতা আবদুল কাদের মিয়া জানান, তিন বছর ধরে গরমের সময় কাজের ফাঁকে হাতপাখা বিক্রি করি। এবার আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে।

ক্রেতারা বলছেন, দিনের বেলা যেমন গরম, তেমনি রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্যান ব্যবহার সম্ভব হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে হাতপাখাই ভরসা। তবে অতিরিক্ত দামেও হাতপাখা কেনা অনেকের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা মো. সাজ্জাদ মিয়া। 

তিনি বলেন, ২০ টাকার পাখা এখন ৪০ টাকায় কিনতে হচ্ছে।

এদিকে তীব্র গরম থেকে মুক্তির আশায় উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ইসতিসকার নামাজ আদায় করা হলেও এখনো স্বস্তির বৃষ্টি আসেনি। এতে কৃষিক্ষেত্র পড়েছে বড় ধরনের হুমকিতে। মাঠে ফসল পুড়ে যাচ্ছে, জমি হয়ে গেছে চৌচির। এতে হতাশ হয়ে পড়েছেন উপকূলের কৃষকরা। পাশাপাশি ডায়রিয়া ও পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে বাড়ছে নারী, শিশু ও বৃদ্ধ রোগীর সংখ্যা।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

শেয়ার করুন: