শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সাতকানিয়ায় মামার হাতে ভাগিনা খুন

সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৫, ১:২৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
সাতকানিয়ায় মামার হাতে ভাগিনা খুন
সাতকানিয়ায় মামার হাতে ভাগিনা খুন

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় মামার হাতে ভাগিনা খুন হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত মো. একরাম (১৩) কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে সাতকানিয়া উপজেলার কালিয়াইশ ইউনিয়নের পাঠানিপুল এলাকার একটি কৃষিজমি থেকে অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। অভিযুক্ত মো. কামাল হোসেন (২৮) পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী উখিয়া থানা পুলিশের একটি টিম সাতকানিয়া থানা পুলিশের সহায়তায় লাশ উদ্ধার করে।

নিহত একরাম বালুখালী ১০ নম্বর ক্যাম্পের জি-৩৭ ব্লকের মো. ইদ্রিসের ছেলে। অভিযুক্ত কামাল হোসেন একই উপজেলার কুতুপালং ক্যাম্পের বি-১০ ব্লকের আবুল কাশেমের ছেলে। মামা-ভাগিনার সম্পর্ক থাকলেও কামাল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে সাতকানিয়ার কেঁওচিয়া ইউনিয়নের একটি ইটভাটায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন।

প্রায় ১৩ দিন আগে বেড়ানোর কথা বলে একরামকে উখিয়া থেকে সাতকানিয়ায় নিয়ে আসে কামাল। পরে সে একরামের পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে। মুক্তিপণ না পেয়ে সে একরামকে হত্যা করে এবং একটি ফাঁকা কৃষিজমিতে লাশ পুঁতে রাখে। একরামের পরিবার উখিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে, পুলিশ আসামি কামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করলে, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লাশ উদ্ধার করা হয়।

সাতকানিয়া থানার ওসি মো. জাহেদুল ইসলাম জানান, উখিয়া থানা পুলিশের একটি দল আমাদের সহযোগিতায় অভিযুক্তকে নিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে। পরে লাশটি উখিয়া থানা পুলিশ নিয়ে যায়।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

শেয়ার করুন: