কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশন লিজ দেওয়ার পরিকল্পনা

কক্সবাজারের আইকনিক রেলওয়ে স্টেশন বেসরকারি খাতে লিজ দেওয়ার সম্ভাবনা যাচাই করতে দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে গেছেন রেলপথ মন্ত্রণালয় ও সড়ক পরিবহন এবং মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। সফরের অংশ হিসেবে তিনি কক্সবাজারমুখী রেলপথের বিভিন্ন স্টেশন পরিদর্শন করেছেন।
শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে চকরিয়ায় তমা কনস্ট্রাকশনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার আইকনিক রেলওয়ে স্টেশন বেসরকারি খাতে পরিচালনার জন্য দেওয়া হলে সেটি কতটা কার্যকর হবে, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। একই সঙ্গে রেলপথের বিভিন্ন স্টেশনের সার্বিক পরিস্থিতিও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, দেশের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় মোট ভূমির অন্তত ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন। সে লক্ষ্যে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০২ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণের সময় বন বিভাগের প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার গাছ কাটা হয়েছিল। এর পরিবর্তে যেসব গাছ লাগানো হয়েছে, সেগুলোর বর্তমান অবস্থা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি আরও কোথায় এবং কতগুলো গাছ লাগানো যায়, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে হাবিবুর রশিদ বলেন, চকরিয়া অঞ্চলের মানুষের যাতায়াত আরও সহজ করতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথে 'মহানগর এক্সপ্রেস' নামে নতুন এক জোড়া ট্রেন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এতে চকরিয়া থেকে যাত্রীরা নির্ধারিত সময়ে চট্টগ্রামে পৌঁছে ঢাকাগামী ট্রেনে সহজেই যাতায়াত করতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, চকরিয়া, ডুলাহাজারা ও হারবাংসহ বিভিন্ন রেলস্টেশনের নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে। এ জন্য পর্যাপ্ত আলোকসজ্জার ব্যবস্থা এবং রেলওয়ে পুলিশের তৎপরতা বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এ সময় রেলওয়ে বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
ভোরের আকাশ/এনউব