শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কনকনে ঠাণ্ডার মধ্যে মানবতার উষ্ণতা ছড়ালেন কোটালীপাড়ার ইউএনও

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি-ভোরের আকাশ
ছবি-ভোরের আকাশ

তীব্র শীতে যখন সড়কের পাশে আগুন জ্বালিয়ে রাতে সময় পার করছিলেন ভ্যানচালক ও দিনমজুররা, ঠিক তখনই মানবতার উষ্ণতা নিয়ে গভীর হঠাৎ হাজির হলেন কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাগুফতা হক। সঙ্গে ছিল উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা—সবার হাতে শীত নিবারণের কম্বল।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শীতার্ত ভ্যানচালক, দিনমজুর ও এতিমখানার শিক্ষার্থীদের মাঝে এসব কম্বল বিতরণ করা হয়।

তারাশী গ্রামের ভ্যানচালক ওমর আলী আবেগভরা কণ্ঠে বলেন, রাত সাড়ে সাতটার দিকে আমরা কয়েকজন তারাশী বাসস্ট্যান্ডে আগুন জ্বালিয়ে শীত পোহাচ্ছিলাম। হঠাৎ তিনটা গাড়ি এসে থামায় প্রথমে ভয় পেয়ে যাই। পরে দেখি ইউএনও স্যার নিজেই কম্বল হাতে আমাদের সামনে দাঁড়ালেন। সবার হাতে তুলে দিলেন কম্বল। ভয় মুহূর্তেই আনন্দে বদলে যায়। এমন রাতে কেউ আমাদের কথা ভাববে, কল্পনাও করিনি।

তারাশী সামছুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানার নুরানী বিভাগের শিক্ষার্থী জোবায়ের হোসেন বলেন, এশার নামাজের পর আমরা কোরআন পড়ছিলাম। হঠাৎ বড় হুজুর ডেকে বললেন, ইউএনও স্যার কম্বল নিয়ে এসেছেন। নিচে নেমে দেখি স্যারেরা সবাই কম্বল হাতে দাঁড়িয়ে আছেন। আমাদের ২০ জন ছাত্রকে কম্বল দেওয়া হয়েছে। এই শীতে এটা আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া। আমরা সবাই খুব খুশি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাগুফতা হক বলেন, কয়েকদিন ধরে কোটালীপাড়ায় শীতের তীব্রতা অনেক বেড়েছে।

বুধবার এ এলাকায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। তাই রাতের বেলাতেই উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিয়ে পথে-প্রান্তরে ও এতিমখানাগুলোতে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, দিনের দাপ্তরিক কাজ শেষে নিয়মিতভাবেই সন্ধ্যার পর প্রশাসনের কর্মকর্তারা শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। সরকারিভাবে পাওয়া কম্বলগুলো ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমেও বিতরণ করা হচ্ছে। শীত যতদিন থাকবে, ততদিন এই মানবিক কার্যক্রম চলমান থাকবে।

কম্বল বিতরণকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাসুম বিল্লাহ, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শাহজাহান সিরাজসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

কোটালীপাড়াইউএনও

শেয়ার করুন: