শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

খেলা না হলে যারা ক্রিকেট খেলে সকলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে: ফারুক

আল আমীন অর্ণব, নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ৯:২৯ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি-ভোরের আকাশ
ছবি-ভোরের আকাশ

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ বলেছেন, আমি আনন্দিত এখানে এসে। আমি বলেছি পরের আয়োজনে না আসলেও এটাতে আমি আসবো। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে খেলা না হওয়ার একটা চেষ্টা হচ্ছে যেকোন একটা মহল থেকে। খেলা না হলে যারা ক্রিকেট খেলে সকলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে আদর্শ স্কুল এক্স স্টুডেন্ট কমিউনিটির আয়োজনে ব্যাচ ভিত্তিক ক্রিকেট লীগের ফাইনালে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত হয়ে একথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জ এমন একটা জায়গা আমরা এই মাঠে খেলে বড় হয়েছি। আমার বড় ভাই এখানে খেলেছে আমার মামা খেলেছে। একটি ম্যাচে আমার মনে আছে আট উইকেট পড়ে গিয়েছিল। সেই ম্যাচে আমি একা একশো সত্তোর করেছিলাম। এটা একটা বিরাট স্মৃতি।

তিনি আরও বলেন, আমি চাই এই ধরনের খেলাধুলা আরও আয়োজন হোক। আমি খুশি এখানে এসে। আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি দেরী করে আসার জন্য। আমি খুশি হবো আমি যদি এই টুর্নামেন্টে সম্পৃক্ত হতে পারি। আমি স্বতস্ফুর্ত ভাবে এখানে অংশ নেবো।

বাংলাদেশের ক্রীড়া ইতিহাসে এই প্রথম কোনো বিদ্যালয়ের সাবেক ব্যাচগুলোকে এক প্ল্যাটফর্মে একত্র করে এত বড় আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো এডিএসএনএক্সএস স্পোর্টস কার্নিভাল ২০২৫ এর অধীনে আদর্শ স্কুল এক্স স্টুডেন্ট প্রিমিয়ার লিগ সিজন-২। নারায়ণগঞ্জের ওসমানী পৌর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টে অংশ নেয় ১৯৯০ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত মোট ২৭টি ব্যাচের দল, যা দেশের স্কুলভিত্তিক সাবেক শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া সমাবেশ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

টুর্নামেন্টের বহুল প্রতীক্ষিত দুটি ফাইনাল। বিশেষ বৈশিষ্ট্য হিসেবে এবারের আসরে অংশগ্রহণকারী ২৭টি দলকে সিনিয়র ও জুনিয়র—এই দুই গ্রুপে ভাগ করা হয়। ১৯৯০ থেকে ২০১০ ব্যাচ পর্যন্ত সিনিয়র গ্রুপ এবং ২০১১ থেকে ২০২৫ ব্যাচ পর্যন্ত জুনিয়র গ্রুপে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এই দুই গ্রুপের আলাদা ফাইনালে সিনিয়র বিভাগে আদর্শ ২০১০ ব্যাচ আদর্শ ২০০৮ ব্যাচকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়, আর জুনিয়র বিভাগে আদর্শ ২০১৫ ব্যাচ আদর্শ ২০১৬ ব্যাচকে হারিয়ে ট্রফি জিতে নেয়।

স্পোর্টস কার্নিভালের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন আদর্শ ১৯৯০ ব্যাচের বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সাবেক কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। এ ছাড়া ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ছিলেন বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম কিংবদন্তি খেলোয়াড়, কোয়াবের সিনিয়র সভাপতি ও জেলা ক্রীড়া পরিষদের সদস্য, আদর্শ ১৯৯০ ব্যাচের শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুৎ। এই দুই উপদেষ্টার উপস্থিতি ও সহযোগিতা পুরো আয়োজনকে আরও উদ্দীপ্ত করে তোলে।

অতিথিদের মধ্যে আরও ছিলেন আদর্শ ১৯৮৬ ব্যাচের রোটারিয়ান কাজী জাহিদুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক ও আদর্শ ১৯৮৯ ব্যাচের মোরশেদ সারোয়ার সোহেল, আদর্শ ১৯৯১ ব্যাচের শওকত খন্দকার ও নাজমুল কবির নাহিদ, আদর্শ ১৯৯৩ ব্যাচের মিনহাজুল ইসলাম (এসপি, বাংলাদেশ পুলিশ), আদর্শ ১৯৯৭ ব্যাচের আসাদুজ্জামান রুমি এবং জেনিথ ডেন্টাল কেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জেনিথ। উপস্থিত ছিলেন আদর্শ ১৯৯৯ ব্যাচের বিশিষ্ট গার্মেন্টস ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান এবং আয়কর উপদেষ্টা রাশিদুল ইসলাম সেজিন।

কার্নিভাল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ছিলেন আদর্শ ২০০১ ব্যাচের জাহিদুল হাসান জিতু এবং সদস্য সচিব ছিলেন আদর্শ ২০০৮ ব্যাচের ইয়াসির সুলতান। ফুটবল টুর্নামেন্ট পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন আদর্শ ২০০৮ ব্যাচের আলিফ রহমান রিদয় ও বাপ্পি, ২০০৩ ব্যাচের মেহেদী হাসান, ২০১২ ব্যাচের আজাহারুল ইসলাম জামি এবং ২০০৫ ব্যাচের সৈকত হোসেন। তাদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় পুরো আসরটি অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

টুর্নামেন্ট সফল করতে আদর্শ স্কুলের সব ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করেন। বিদ্যালয়ের প্রতি ভালোবাসা, প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ঐক্য এবং ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের এক অনন্য প্রকাশ ঘটেছে এই আয়োজনে। পুরো আয়োজনটি শুধু নারায়ণগঞ্জেই নয়, বরং বাংলাদেশের স্কুলভিত্তিক ক্রীড়া সংস্কৃতিতেও নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

উপস্থিত অতিথিরা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, আদর্শ স্কুল এক্স স্টুডেন্টদের এই স্পোর্টস কার্নিভাল ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে আয়োজন করা হবে এবং সমাজে ইতিবাচক ক্রীড়া পরিবেশ গড়ে তুলবে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

বিসিবিফারুক আহমেদ

শেয়ার করুন: