ইরাকে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত রেজাউলের মরদেহ ২৫ দিন পর বাড়িতে

মারা যাওয়ার ২৫ দিন পর ইরাকপ্রবাসী রেজাউল ইসলামের (৩০) মরদেহ পৌঁছেছে নিজ বাড়িতে। রেজাউল ইসলাম চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার মৃগমারী গ্রামের রহিম হুজুরের ছেলে। গত ৯ আগস্ট বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টার দিকে ইরাকের রাজধানী বাগদাদের আল মনসুর এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে দায়িত্ব পালন করার সময় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে রেজাউল নিহত হন।
পরিবারের দীর্ঘ অপেক্ষা ও কষ্টের প্রতীক্ষার পর বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে তার মরদেহ নিজ বাড়িতে পৌঁছায়।
এর আগে ইরাক থেকে একটি ফ্লাইটে বুধবার দিবাগত রাতে মরদেহটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। পরে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ মরদেহটি পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করে।
মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। শেষবারের মতো রেজাউলকে একনজর দেখতে বাড়িতে ভিড় করেন আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীরা। পরিবারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে আট বছর আগে বিদেশে পাড়ি জমান রেজাউল ইসলাম। প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করে উপার্জিত অর্থ দিয়ে তৈরি করেছিলেন একটি বিলাসবহুল বাড়ি। সেই বাড়িতেই চলছিল তার বিয়ের প্রস্তুতি।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, শিগগিরই দেশে ফিরে বিয়ের পিঁড়িতে বসার কথা ছিল রেজাউলের। তাকে ঘিরে পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও ছিল নানা স্বপ্ন ও আয়োজন। সবকিছু ঠিকঠাক চললেও একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা মুহূর্তেই এলোমেলো করে দিয়েছে পরিবারের সব স্বপ্ন ও আনন্দ।
ভোরের আকাশ/সু.পা