চমেকে দ্বিতীয় দিনেও কর্মবিরতিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা

ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো কর্মবিরতি পালন করছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। তাদের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন ট্রেইনি চিকিৎসকরাও।
সোমবার (৮ জুন) সকাল ৮টা থেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের এ কর্মবিরতি শুরু হয় এবং তা অব্যাহত রয়েছে।
আন্দোলনরত চিকিৎসকদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ১৯ মে ২০২৬ তারিখে জারি করা এফসিপিএস প্রশিক্ষণসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার, স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পৃথক আইন প্রণয়ন, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাসিক ভাতা ৩০ হাজার টাকায় উন্নীত করা, বেসরকারি ট্রেইনি চিকিৎসকদের বেতন নবম গ্রেডের সমপর্যায়ে নির্ধারণ, বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৪ বছর করা এবং বিএমডিসি ২০২৫ অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর করে ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ।
এর আগে ৩ জুন ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন তাদের ছয় দফা দাবি উত্থাপন করে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেয়। দাবি আদায়ে ৪ ও ৬ জুন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
দাবিগুলোর বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় ৭ জুন থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা দেন আন্দোলনরত চিকিৎসকরা। তাদের দাবি, দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান না হলে দেশের অন্যান্য মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে সমন্বয় করে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হতে পারে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাকিব হোসেন বলেন, রোগীদের কথা বিবেচনা করে তারা প্রথমে কর্মসূচি স্থগিত রেখে প্রশাসনকে সময় দিয়েছিলেন। ৪৮ ঘণ্টার পর আরও ২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি। ফলে বাধ্য হয়েই তারা কর্মবিরতির পথে যেতে বাধ্য হয়েছেন।
ভোরের আকাশ/ এনউব