শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কেপিসিএলের বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ ও বিক্রি,পাওনা আদায়ে শ্রম আদালতে মামলা

খুলনা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৮:১১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ভোরের আকাশ
ভোরের আকাশ

 খুলনার কাশিপুর-দৌলতপুর এলাকায় স্থাপিত ১১০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বার্জভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতের অন্যতম পুরোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র। ইউনাইটেড গ্রুপ ও সামিট গ্রুপের যৌথ মালিকানায় কেপিসিএল নামে প্রতিষ্ঠানটি কার্যক্রম শুরু করে।

পরবর্তীতে ২০১১ সালে ১১৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার এইচএফও (HFO) চালিত কেপিসিএল ইউনিট-২ স্থাপন করা হয়। একই বছরে সহযোগী প্রতিষ্ঠান কেজেএপিসিএলের নিজস্ব জমিতে যশোরের নওয়াপাড়া শিল্প এলাকায় ৪০ মেগাওয়াট ক্ষমতার আরও একটি এইচএফও বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপিত হয়। পরবর্তীতে এই দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের কার্যক্রম বন্ধ করে বিদেশি একটি কোম্পানির কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এ ছাড়া ২০২১ সালে পটুয়াখালীতে ১৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ইউনাইটেড পায়রা পাওয়ার লিমিটেড (ইউপিপিএল) এইচএফও বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হয়। ওই বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৩৫ শতাংশ শেয়ার কেপিসিএলের মালিকানাধীন বলে জানা যায়।

২০০৯ সালে কোম্পানিটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে নিবন্ধিত হয়ে কার্যক্রম শুরু করে। পরবর্তীতে ২০১০ সালে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটি জ্বালানি তেল, বিশেষ করে এইচএফও (Heavy Fuel Oil) ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিক্রয়ের মাধ্যমে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল।

তবে ২০২২ সালে খুলনার কাশিপুর-দৌলতপুর এলাকায় অবস্থিত ১১০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বার্জভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ করে বিদেশি একটি কোম্পানির কাছে বিক্রি করা হয় বলে জানা গেছে। এরপর ২০২৪ সালে ১১৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার এইচএফও চালিত কেপিসিএল ইউনিট-২ এবং যশোরের নওয়াপাড়ায় অবস্থিত ৪০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এইচএফও বিদ্যুৎকেন্দ্রটির কার্যক্রমও সম্পূর্ণভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে বিদ্যুৎকেন্দ্র দুটিও বিদেশি কোম্পানির কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।

বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো বন্ধ ও বিক্রি হয়ে যাওয়ার ফলে কোম্পানিটির কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বড় একটি অংশ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। চাকরিচ্যুত কর্মচারীদের দাবি, দীর্ঘদিন কোম্পানিতে চাকরি করার পর প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো বন্ধ ও বিক্রি করে দেওয়ায় তারা চাকরি হারিয়েছেন। একই সঙ্গে তাদের বিভিন্ন ধরনের আইনানুগ পাওনা পরিশোধ করা হয়নি।

পাওনা টাকা আদায়ের জন্য চাকরিচ্যুত কর্মচারীরা কোম্পানির বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। এ বিষয়ে দায়ের করা মামলাটির নম্বর শ্রম-৬৮/২০২৫।

আরও পড়ুন

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক

চাকরিচ্যুত কর্মচারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কাজ করার পর হঠাৎ বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম বন্ধ এবং বিক্রি করে দেওয়ার কারণে তারা কর্মসংস্থান হারিয়েছেন। অনেক কর্মচারী বর্তমানে পরিবার-পরিজন নিয়ে আর্থিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন। তাদের দাবি, চাকরির মেয়াদ অনুযায়ী প্রাপ্য বেতন-ভাতা, ক্ষতিপূরণসহ অন্যান্য আইনানুগ পাওনা দ্রুত পরিশোধ করা হোক।
এবিষয়ে কেপিসিএল এর অপারেশন মেইনটেনেন্সের দায়িত্বে থাকা মি. মাশিউল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার যতদূর জানা কোম্পানি সবারই টাকা পরিশোধ করেছে। তবে এবিষয়ে হেড অফিসে ফিন্যান্স শাখায় যোগাযোগ করতে পারেন। এরপর হেড অফিসের চিফ ফিন্যান্স অফিসার মামুন সারোয়ার বলেন, মামলা সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না। শ্রমিকদের এবং অফিসারদের সবারই পাওনা বুঝিয়ে দিয়েছে কোম্পানি। এখন কেউ যদি পাওনা থাকে আমাদের হেড অফিসে অভিযোগ করলে তাকে তার ন্যায্য পাওনা ফিরিয়ে দেয়া হবে। তবে শ্রম আদালতে মামলার কিছুই জানেন না তিনি।

তাদের প্রত্যাশা, শ্রম আদালতের মাধ্যমে বিষয়টির দ্রুত নিষ্পত্তি করে এবং কোম্পানির কাছে থাকা তাদের ন্যায্য পাওনা সমুদয় টাকা আইন অনুযায়ী পরিশোধ করা হোক।

ভোরের আকাশ/এনউব

বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ

শেয়ার করুন: