শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সব টেস্ট বন্ধ, রোগীদের ভোগান্তি

ইসা হাসান, পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৩১ আগস্ট ২০২৫, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সব টেস্ট বন্ধ, রোগীদের ভোগান্তি
পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সব টেস্ট বন্ধ, রোগীদের ভোগান্তি

বরগুনার উপকূলীয় পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সব ধরনের টেস্ট কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (৩০ আগস্ট) উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নীল রতন সরকার এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সরকারি অনুমোদন ছাড়াই মানবিক কারণে রোগীদের নামমাত্র খরচে টেস্ট সেবা দিয়ে আসছিল। মাত্র ২৫০ টাকায় রক্ত এবং প্যাথলজির বিভিন্ন পরীক্ষা করা যেত। তবে এখন একই পরীক্ষা করাতে বেসরকারি ক্লিনিকে রোগীদের ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকা দিতে হচ্ছে। ফলে নিম্ন আয়ের মানুষদের মধ্যে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

পাথরঘাটা উপজেলায় প্রায় তিন লাখ মানুষ বসবাস করে। অধিকাংশ মানুষ মাছধরা ও দিনমজুরির মতো পেশায় নিয়োজিত। তাদের একমাত্র ভরসা ৫০ শয্যার এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। টেস্ট কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষ এখন বেসরকারি ক্লিনিকের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ টেস্ট কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। জনপ্রতিনিধিরা কিছু যন্ত্রপাতি সরবরাহ করলেও প্রয়োজনীয় ওষুধ ও কেমিক্যাল নিয়মিতভাবে সরকার সরবরাহ করত না। ফলে দীর্ঘদিন রোগীদের সামান্য ফি নিয়ে টেস্ট সেবা চালু ছিল। তবে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে সব কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

পাথরঘাটা পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ হাওলাদার বলেন, “ল্যাব চালু থাকার কারণে গরিব মানুষ অনেক উপকৃত হয়েছিল। বর্তমানে অনুমোদনের অভাবে এটি বন্ধ রয়েছে। দ্রুত অনুমোদন নিয়ে টেস্ট সেবা পুনরায় চালুর দাবি করছি।”

এ বিষয়ে বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ও বরগুনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম মণি জানান, তিনি বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নজরে এনেছেন এবং আশা করেন শিগ্রই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. নীল রতন সরকার বলেন, “সরকারি অনুমোদন না থাকায় টেস্ট কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে। অনুমতি মিলে গেলে ল্যাব পুনরায় চালু করা হবে।”

উপকূলীয় এ অঞ্চলের তিন লাখ মানুষ দ্রুত টেস্ট সেবা পুনরায় চালুর দাবি জানিয়েছে। তারা আশঙ্কা করছে, সেবা চালু না হলে দরিদ্র রোগীরা বেসরকারি ক্লিনিকের কাছে জিম্মি হয়ে পড়বেন।

ভোরের আকাশ//হ.র

চরম ভোগান্তিবরগুনাউপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

শেয়ার করুন: