শিরোনাম
ইউপি ভোট: প্রথম ধাপের তফসিল ১০ ডিসেম্বরডিসেম্বরকে সামনে রেখে অস্থিতিশীলতা তৈরির পাঁয়তারা চলছে: শ্রমমন্ত্রী১৩ সিটি করপোরেশনে ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন শুরু সোমবারগার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে বোর্ড গঠন, গেজেট প্রকাশসাজেকে দুই পক্ষে ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলি, অবরোধে বন্ধ বড় যান চলাচলঅক্টোবরে রেমিট্যান্স এলো ৩৫ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা৩১৮ কারখানা বন্ধ, কাজে নেই ৭ লাখ শ্রমিক৩ নভেম্বর সোলার এক্সপো উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রীইউপি ভোট: প্রথম ধাপের তফসিল ১০ ডিসেম্বরডিসেম্বরকে সামনে রেখে অস্থিতিশীলতা তৈরির পাঁয়তারা চলছে: শ্রমমন্ত্রী১৩ সিটি করপোরেশনে ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন শুরু সোমবারগার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে বোর্ড গঠন, গেজেট প্রকাশসাজেকে দুই পক্ষে ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলি, অবরোধে বন্ধ বড় যান চলাচলঅক্টোবরে রেমিট্যান্স এলো ৩৫ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা৩১৮ কারখানা বন্ধ, কাজে নেই ৭ লাখ শ্রমিক৩ নভেম্বর সোলার এক্সপো উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

চাঁদপুরে বাসি খাবার ও ক্ষতিকর রং ব্যবহারের দায়ে ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

চাঁদপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২ নভেম্বর ২০২৬, ৩:০৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
চাঁদপুরে বাসি খাবার ও ক্ষতিকর রং ব্যবহারের দায়ে ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
চাঁদপুরে বাসি খাবার ও ক্ষতিকর রং ব্যবহারের দায়ে ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হচ্ছিল পচা-বাসি খাবার, খাবারে ব্যবহার করা হচ্ছিল ক্ষতিকর রং। এমন অনিয়মের দায়ে চাঁদপুরের তাজ হোটেলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। 

একই অভিযানে অনুমোদনহীন নিম্নমানের এলইডি লাইট বিক্রির দায়ে মুন্সি এন্টারপ্রাইজকে আরও ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। দুই প্রতিষ্ঠানকে মোট ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সোমবার (২ নভেম্বর) চাঁদপুরের মহামায়া, বাকিলা ও বলাখাল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয় এ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চাঁদপুরের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ইমরান। তিনি জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী তাজ হোটেলকে ১০ হাজার টাকা এবং মুন্সি এন্টারপ্রাইজকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করেন। প্রতিষ্ঠান দুটি তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম না করার অঙ্গীকার করে।

অভিযানকালে তাজ হোটেলে সংরক্ষিত পচা-বাসি খাবার ও ক্ষতিকর রং ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি বাজারের অন্যান্য প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন এবং ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

এ সময় ব্যবসায়ীদের নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রি, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণ, দৃশ্যমান স্থানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও পণ্য বিক্রি থেকে বিরত থাকা এবং অবৈধ মজুদদারি না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর একটি দল অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করে।

ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা এবং বাজারে অনিয়ম প্রতিরোধে জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

ভোরের আকাশ/রই

শেয়ার করুন: