শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

টেকনাফে টানা জালে ধরা পড়ল ১৩০ মণ মাছ, ১০ লাখে বিক্রি

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার

প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১:৫৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন সমুদ্র সৈকতে টানা জালে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ১৩০ মণ মাছ ধরা পড়েছে। পরে এসব মাছ প্রায় ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। বিপুল পরিমাণ মাছ ধরা পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকরা সৈকতে ভিড় জমান।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সদর ইউনিয়নের গোদারবিল এলাকার রফিক আলম মুন্নার জালে মাছগুলো ধরা পড়ে বলে জানান টেকনাফ উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা উমুল ফারা বেগম তাজকিরা।

তিনি বলেন, মহেশখালীয়াপাড়া এলাকার সমুদ্র সৈকতে জাল টানার সময় ছোট-বড় নানা প্রজাতির মাছ আটকা পড়ে। এর মধ্যে ছিল ছোট পোয়া, ছোট ও বড় ফাইস্যা, মলা, ছুরি, বাটান, রূপচাঁদা ও ইলিশসহ বিভিন্ন মাছ।

জালের মালিক রফিক আলম মুন্না জানান, শনিবার সকাল ৮টার দিকে ৩০ জন মাঝি টানা জাল নিয়ে নৌকায় করে সাগরে মাছ ধরতে যান। বেলা ১টার দিকে জাল টানলে ঝাঁকে ঝাঁকে মাছ দেখা যায়। পরে অতিরিক্ত শ্রমিক এনে মাছগুলো সৈকতে তোলা হয় এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে প্রায় ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়।

মাছ ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদ বলেন, ছোট মাছের দাম প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মাছগুলো বরফ দিয়ে ড্রামে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এর মধ্যে বেশির ভাগ পোয়া ও ছুরি মাছ শুঁটকি করা হবে। তিনি জানান, আড়াই কেজি কাঁচা ছুরি মাছ রোদে শুকালে এক কেজির বেশি শুঁটকি পাওয়া যায়, যা প্রতি কেজি ৯০০ থেকে এক হাজার টাকায় বিক্রি হবে। বাকি মাছ কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও ঢাকায় পাঠানো হবে।

মৎস্য কর্মকর্তা উমুল ফারা বেগম তাজকিরা বলেন, শীত মৌসুমে সাগরে ছোট মাছের প্রজনন বেশি হয়। প্রজনন ও ডিম ছাড়ার সময় সরকারিভাবে ৬৫ দিন সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকে। জেলেরা প্রজনন মৌসুমসহ সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে চলায় বর্তমানে সাগরে প্রচুর মাছ পাওয়া যাচ্ছে, যা তাদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে সহায়তা করছে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

শেয়ার করুন: