শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মানিকগঞ্জে গরুর হাটে অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের অভিযোগ

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২ জুন ২০২৫, ১১:০৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
মানিকগঞ্জে গরুর হাটে অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের অভিযোগ
মানিকগঞ্জে গরুর হাটে অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের অভিযোগ

মানিকগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী হরগজ গরুর হাটে ঈদকে সামনে রেখে অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

সাটুরিয়া উপজেলার হরগজ ইউনিয়নে অবস্থিত এই হাটটি ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা ও তুলনামূলক কম হাসিলের কারণে পাইকার ও সাধারণ মানুষের কাছে একসময় অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল। তবে বর্তমানে ঈদ উপলক্ষে প্রতিটি পশু থেকে অতিরিক্ত ২০০ টাকা করে হাসিল আদায় করায় হাটের সুনাম যেমন নষ্ট হচ্ছে, তেমনি ক্রেতা-বিক্রেতারাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জেলার অন্যতম বৃহৎ এই গরুর হাটটি ১১ লাখ ৭৬ হাজার ৬৫০ টাকায় ইজারা দেওয়া হয়। ‘হরগজ শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের সাহায্যার্থে’ লেখা রশিদ দিয়ে প্রতিটি পশু থেকে ৩০০ টাকা হাসিল নেওয়া হতো। তবে ঈদ মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকে সেই হার বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করা হয়েছে।

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থেকে পশু কিনতে আসা রাশেদ মিয়া জানান, তিনি ৪৫ হাজার টাকা দিয়ে একটি ছোট ষাঁড় কিনেছেন এবং তার কাছ থেকে ৫০০ টাকা হাসিল নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “শুনেছিলাম এই হাটের হাসিল কম, কিন্তু আমার কাছ থেকে বেশি নিয়েছে।”

স্থানীয় ব্যাপারী মতিয়ার মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এই হাট জেলার সবচেয়ে বড়। স্কুলের নাম ব্যবহার করার কারণে এর ইজারার মূল্য অন্যান্য হাটের চেয়ে কম। অথচ এখন ঈদ এলেই অতিরিক্ত হাসিল আদায় করা হচ্ছে।”

হরগজ শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ বজলুর রহমান অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ঈদ উপলক্ষে স্কুল পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিটি পশু থেকে ৫০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। এর আগে প্রতিটি পশু থেকে তিনশত টাকা হাসিল আদায় করা হত।

হরগজ শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. কামরুল হাসান হাট পরিচালনার সাথে তার যুক্ত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন আমি অল্প কয়েকমাস ধরে দায়িত্বে আছি। এসেই বলেছি হাটের কারণে স্কুলের স্বাভাবিক পাঠদান ব্যাহত হয়। হাটের দায়িত্ব ছেড়ে দিতে বলেছি।

এ বিষয়ে সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ঈদকে সামনে রেখে হাসিলের টাকা বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভোরের আকাশ/আজাসা

শেয়ার করুন: