শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মাদারীপুর মিউজিয়াম পরিদর্শনে গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী

মাদারীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৩১ মার্চ ২০২৬, ৬:১১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

মাদারীপুর জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে মঙ্গলবার (৩১মার্চ) শহরের শকুনী লেকের উত্তর পাড়ে অবস্থিত ঐতিহাসিক পুরাতন ট্রেজারি ভবনে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘মাদারীপুর মিউজিয়াম’। 

মঙ্গলবার দুপুরে (৩১ মার্চ) প্রতিষ্ঠানটির ৩য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে মিউজিয়ামটি পরিদর্শন করেন মাদারীপুর মিউজিয়াম পরিচালনা পরিষদের সদস্য ও গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন। 

পরিদর্শনকালে তিনি মিউজিয়ামের বিভিন্ন গ্যালারি ঘুরে দেখেন এবং প্রাচীন নিদর্শনাদি সংরক্ষণের উদ্যোগের প্রশংসা করে একে নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস পৌঁছে দেওয়ার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে অভিহিত করেন।পরিদর্শনকালে মিউজিয়ামের অন্যান্য কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এই জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠার পেছনে রয়েছে এক গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তৎকালীন মহকুমা প্রশাসক সৈয়দ রেজাউল হায়াত এই ট্রেজারি ভবনে রক্ষিত অস্ত্র মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে তুলে দিয়ে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, যার ফলে তাকে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে বন্দিও হতে হয়েছিল। 

পরবর্তীতে নব্বইয়ের দশকে জেলা কালেক্টরেট স্থানান্তরিত হলে ভবনটি পরিত্যক্ত ও বেদখল হয়ে পড়ে। অবশেষে স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে তৎকালীন জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলামের প্রচেষ্টায় এই ঐতিহাসিক ভবনটি সংস্কার করে জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়। 

বর্তমানে প্রতিদিন বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকা এই মিউজিয়ামটি মাদারীপুরের শেকড় ও সংস্কৃতির ধারক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

ভোরের আকাশ/ র.ই

 

 

প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তামো. নাজমুল ইসলাম

শেয়ার করুন: