মহেশখালীতে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র পরিদর্শনে মিডা প্রকল্প কর্মকর্তা

দীর্ঘদিন পর হলেও মহেশখালীর মকতারবাড়ী জেলে পল্লীর স্বপ্ন বাস্তবতার রূপ পেতে যাচ্ছে। উন্নয়নের ছোয়া লাগাতে সম্ভাব্য মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র নির্মাণের স্থান পরিদর্শন করেছেন মিডা প্রকল্প কর্মকর্তা জাকির হোছাইন।
বুধবার (১২ নভেম্বর) বিকাল ৪ টায় কক্সবাজার মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী ইউনিয়নস্থ সরকারের মেগা প্রকল্প কয়লা বিদ্যুৎ সংলগ্ন সাইরার ডেইল জেলে পল্লী এলাকা পরিদর্শন করেন। সেখানে স্থানীয় জেলে, মৎস্য ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে কথা বলেন। এরপর প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দরস্থ ধলঘাটা মুহুরিঘোনা, মাতারবাড়ী দক্ষিণ রাজঘাটে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের যুগ্ম-পরিচালক মোঃ মাসুদুল আলম, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের হিসাব নিয়ন্ত্রক মোঃ রাজিবুল আলম , বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের সহকারী পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান, মহেশখালী উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসের মৎস্য প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম, মহেশখালী উপজেলা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি এরশাদ উল্লাহ, মাতারবাড়ী ইউপি'র সাবেক মেম্বার হামেদ হোছাইন খোকা, মৎস্য ব্যবসায়ী মফিজ আলম প্রমূখ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংবাদকর্মী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় জেলেসহ সাধারণ মানুষ।
এদিকে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র নির্মাণের স্থান পরিদর্শনের খবরে মহাখুশিতে জেলে, মৎস্য ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা। তারা দাবী করেন মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র নির্মাণ করলে হবেনা! পরিবেশ প্রতিবেশ বজায় রেখে উক্ত প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন হউক এমন প্রত্যাশা করেন। পাহাড়ি দ্বীপে যেভাবে উন্নয়ন হচ্ছে তা যেন পরিকল্পিত উন্নয়নের রূপ নিয়ে মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীসহ এলাকার অসহায় কর্মহীন তথা কর্সহারা জনসাধারণের বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ-সুবিধা করে দিয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান স্থানীয়দের।
মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ হেদায়েত উল্যাহ্ ভোরের আকাশকে বলেন, সরকার মেগাপ্রকল্পের পাশাপাশি বিভন্নভাবে কর্মহীনদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন। তবে এসব কার্যে সর্বসাধারণের সহযোগিতা থাকা শ্রেয়।
ভোরের আকাশ/এসএইচ