শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রী

বাজেট সংকুলান নেই উপজেলা প্রকৌশলী

সড়কটির সংস্কার হবে কবে

বারহাট্টা (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৫, ১:০৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
সড়কটির সংস্কার হবে কবে
সড়কটির সংস্কার হবে কবে

সড়কের পিচ উঠে গেছে বহু আগেই। খানাখন্দ হয়ে খোয়া-বালুও নেই বেশ কিছু জায়গায়। দুই ধার দেবে যাওয়ায় যান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। অনেক সময় গর্তে পড়ে নষ্ট হচ্ছে গাড়ি। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হয় চালকদের। অসহায় হয়ে পড়েন যাত্রীরাও।

নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলার ব্যস্ততম বারহাট্টা টু নৈহাটি বাজার রোডের। নৈহাটি গরুর বাজার বৃহত্তর ময়মনসিংহের সবচেয়ে বড় গরুর বাজার হওয়ায় প্রতি সপ্তাহের শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত গড়ে প্রতিদিন ৪০-৫০টি ছোট্ট বড় গরুবাহী ট্রাক চলাচল করে সড়কটিতে।

নৈহাটি গরুর বাজার থেকে প্রতি সোমবার ৮ থেকে ৯ লাখ টাকা খাজনা আদায় হয়। বছরে প্রায় ৪ কোটি টাকার উপরে খাজনা আদায় হলেও বারহাট্টা থেকে নৈহাটি বাজার পর্যন্ত সড়কটির বহু বছর ধরে এমন বেহাল দশা কেন এই প্রশ্ন এলাকাবাসীর মনে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত ৮ বছর কোন রকম সংস্কারকাজ হয়নি সড়কটিতে। অথচ প্রতি সপ্তাহের শনি থেকে সোমবার বিরামহীনভাবে চলছে ভারী যানবাহন। এতে ওই পথে চলাচলকারী স্থানীয় গাড়ির চালক ও পথচারীদের প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সড়ক ভাঙা হওয়ায় কৃষক তাদের উৎপাদিত পণ্য পরিবহনে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন।

চিরাম ইউনিয়ন ডেভেলপমেন্ট ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাসুম আহমেদ জানান, ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত ওজনের ভারী যানবাহন আমাদের নৈহাটি রোডে সব সময় চলাচল করে। সরকার বৃহত্তর ময়মনসিংহের সবচেয়ে বড় গরুর বাজার নৈহাটি গরুর বাজার থেকে বেশি বেশি রাজস্ব আদায় করছে।

কিন্তুু সড়কটি চলাচল করার মতো উপযোগী না করায় আমাদের সাধারণ মানুষদের হয়রানি মারাত্মক রূপ নিয়েছে। আমাদের দাবি দ্রুত যেন সড়কটি মেরামতেরও উদ্যোগ নেওয়া এবং আমাদের চিরামবাসীর দুর্ভোগ লাঘব করা হয়। বারহাট্টা মহাজন পাড়া থেকে শুরু হওয়া সড়কটি গেরিয়া বাজার পর্যন্ত কিছুদূর পর পরই খানাখন্দ ভরা।

তবে গেরিয়া বাজার থেকে নৈহাটি বাজার পর্যন্ত ভয়াবহ অবস্থা। বড় বড় গর্তের কারণে প্রায় সময়েই ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা উল্ট যায়। বহু বছরের পুরোনো এই সড়কে সারা বছরই ঝুঁকি নিয়ে চলাফেরা করতে হয় বারহাট্টা-টু নৈহাটি বাজারে চলাচলরত সব ধরনের যানবাহন ও সাধারণ মানুষকে।

নৈহাটি গরুর বাজার থেকে সরকার ভালো রাজস্ব আদায় করলেও বারহাট্টা থেকে নৈহাটি গরুর বাজার পর্যন্ত সড়কটির বেহাল দশা কেন এমন প্রশ্নে এলজিইডির বারহাট্টা উপজেলা প্রকৌশলী অমিত চন্দ্র দে জানান, সড়কটি সংস্কারের সম্ভাবনা নেই আপাতত। বাজেট সংকুলান নেই।

বারহাট্টা ইউএনও মো. খবিরুল আহসান জানান, বারহাট্টা থেকে নৈহাটি বাজার পর্যন্ত সড়কটি দ্রুত সংস্কারের জন্য কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। আশা করছি, বিশাল একটা জনগোষ্ঠীর মানুষের কষ্ট কমাতে কর্তৃপক্ষ দ্রুতই ব্যবস্থা নিবে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

শেয়ার করুন: