শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রী

লক্ষ্মীপুরে হাম আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়ছে

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১ এপ্রিল ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

লক্ষ্মীপুর জেলা সদর হাসপাতালে দিন দিন বাড়ছে হাম আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। বর্তমানে ছয়জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছে। দীর্ঘদিন চিকিৎসার পর দু-একজনের অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও বাকিদের অবস্থা এখনো আশানুরূপ নয় বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। 

চিকিৎসকেরা জানান, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। বর্তমানে দেখাদেয়া হাম আগের হামের চেয়ে আরো বেশি শক্তিশালী। কোনো শিশুর ৫ থেকে ৭ দিন ধরে জ্বর, শরীরে চুলকানি, ঘন ঘন কাশি ও বমিভাব দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতাল বা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। হাম রোগে সাধারণত ৪ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুরা বেশি আক্রান্ত হলেও বড় শিশুরাও বর্তমানে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। 

সদর উপজেলার লালকান্দি ইউনিয়নের বাসিন্দা জাহান আক্তার জানান, তাঁর সন্তান কয়েক দিন ধরে জ্বর, কাশি, চুলকানি ও বমিতে ভুগছিল। অবস্থার অবনতি হলে তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একইভাবে টুমচর এলাকা থেকে আসা এক মা তাঁর ১০ মাস বয়সী শিশুকে একই উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।

কালিরচর এলাকার ছকিনা বেগম বলেন, “প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিলেও শিশুর অবস্থার উন্নতি হয়নি। পরে সদর হাসপাতালে এনে জানতে পারি, সে হাম রোগে আক্রান্ত।”

এদিকে, হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে হাম ও ডায়রিয়া রোগীদের একসঙ্গে চিকিৎসা দেওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রোগী ও তাঁদের স্বজনরা। তাঁদের দাবি, সংক্রামক রোগ হওয়ায় হাম আক্রান্ত শিশুদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড বা কক্ষের ব্যবস্থা করা জরুরি। অভিজ্ঞরা মনে করেন এখন যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে হাম রোগ ব্যাপক হারে এ জেলায় বাড়তে পারে।

লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. অরূপ পাল বলেন, “হামের টিকা না নেওয়া শিশুরাই বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। তবে সময়মতো চিকিৎসা ও সঠিক যত্ন নিলে এই রোগ থেকে সুস্থ হওয়া সম্ভব।” চিকিৎসকেরা শিশুদের নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। 

ঠিকমতো আলাদা চিকিৎসার  ব্যবস্থা না নিলে হাম অনেকটা মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে যে ধারণাটি জন্মেছে,সেটা উড়িয়ে দিচ্ছে না অভিজ্ঞ মহল।

ভোরের আকাশ/ র.ই
 

হামে আক্রান্তডা. অরূপ পাল

শেয়ার করুন: