শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

খুলনায় ৩য় উপকূলীয় পানি সম্মেলন ২০২৬ এর সমাপনী দিন

খুলনা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ৭:০৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

বাংলাদেশের উপকূল ও পানি-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ নিয়ে তিন দিনব্যাপী নিবিড় সংলাপ, জ্ঞান বিনিময় ও নীতিগত আলোচনার মধ্য দিয়ে ২৬ জানুয়ারি খুলনার সিএসএস আভা সেন্টারে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত হয়েছে ৩য় উপকূলীয় পানি সম্মেলন ২০২৬। সমাপনী দিনে পাঁচটি বিষয়ভিত্তিক সেশন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর আয়োজিত সমাপনী পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে সম্মেলনের গুরুত্বপূর্ণ ফলাফলগুলো একত্রিত করা হয় এবং সম্মিলিত ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের জন্য একটি দিকনির্দেশনামূলক কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়।

সমাপনী অধিবেশনে ৩য় উপকূলীয় পানি সম্মেলন কমিটির সদস্য সচিব ও অ্যাওসেড’র নির্বাহী পরিচালক শামীম আরফীন আনুষ্ঠানিকভাবে ১২ দফা খসড়া খুলনা ঘোষণা উপস্থাপন করেন। এই ঘোষণায় সম্মেলন থেকে উঠে আসা সম্মিলিত অগ্রাধিকার ও সুপারিশ প্রতিফলিত হয়েছে, যেখানে পানি ন্যায়বিচার, জলবায়ু সহনশীলতা, প্রতিবেশ সুরক্ষা এবং উপকূলীয় অঞ্চলে অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সমাপনী পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনটি সঞ্চালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কাজী মারুফুল ইসলাম। বিষয়ভিত্তিক সেশনগুলোর সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করেন কোস্টাল ভয়েস অব বাংলাদেশ-এর আবুহেনা মোস্তফা জামাল, ডর্প-এর মোহাম্মদ জোবায়ের হাসান, ওয়াশ বিশেষজ্ঞ মো. জাহিদুর রহমান এবং কুয়েট-এর ড. তুষার কান্তি রায়। তাঁদের উপস্থাপনায় সম্মেলনের বিভিন্ন সেশনে আলোচিত গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা ফলাফল, কমিউনিটির অভিজ্ঞতা, নীতিগত ঘাটতি এবং ব্যবহারিক সমাধানগুলো তুলে ধরা হয়।

খসড়া খুলনা ঘোষণার ওপর পরিপূরক মতামত প্রদান করেন লিডার্স-এর নির্বাহী পরিচালক মোহন কুমার মন্ডল, প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশন বাংলাদেশ-এর জলবায়ু ও সহনশীলতা বিষয়ক থিম্যাটিক লিড তামান্না রহমান, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সি-থ্রি-ই-আর-এর সহকারী পরিচালক রউফা খানম, ডর্প-এর উপ-নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জোবায়ের হাসান এবং আইসিসিসিএডি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাকিব হক। বক্তারা ঘোষণাটিকে বাস্তবায়নযোগ্য অঙ্গীকারে রূপ দেওয়া, বহু অংশীজনের সহযোগিতা জোরদার করা এবং নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় কমিউনিটির কণ্ঠস্বরকে কেন্দ্রে রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

সংহতি বক্তব্য ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ৩য় উপকূলীয় পানি সম্মেলনের সহ-সভাপতি এবং রূপান্তর-এর নির্বাহী পরিচালক রফিকুল ইসলাম খোকন। তিনি অংশীদার সংস্থা, বক্তা, স্বেচ্ছাসেবক ও অংশগ্রহণকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং উপকূলীয় পানি বিষয়ক অ্যাডভোকেসি এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের অব্যাহত অঙ্গীকারের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সম্মেলনের সমাপনী বক্তব্য দেন ওয়াটারএইড-এর দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক মোঃ খায়রুল ইসলাম। তিনি এই অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফর্মের ধারাবাহিক উদ্যোগ ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাংলাদেশ পানি সম্মেলন ২০২৮-এর জন্য একটি সফল ও কার্যকর রোডম্যাপ প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

খুলনা ঘোষণা উপস্থাপন এবং সম্মিলিত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে ৩য় উপকূলীয় পানি সম্মেলন ২০২৬ সমাপ্ত হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশের উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জন্য সহনশীলতা, ন্যায়সংগততা ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে উপকূলীয় পানি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমন্বিত পদক্ষেপের নতুন আহবান জানানো হয়।

 

ভোরের আকাশ/এনএস

পানিখুলনা

শেয়ার করুন: