শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নববর্ষ সামনে, রায়গঞ্জের তাঁতপল্লীতে গামছা তৈরিতে ব্যস্ততা

রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪:৫৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

বাংলা নববর্ষকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার তাঁতপল্লীগুলোতে এখন কর্মচাঞ্চল্য বেড়েছে। বিশেষ করে চান্দাইকোনা, ধানগড়া ও পৌরসভার লক্ষীকোলা এলাকায় বেড়েছে কাজের চাপ। নববর্ষ উপলক্ষে এসব এলাকায় গামছা তৈরির ধুম পড়েছে।

এলাকার বিভিন্ন তাঁতঘর ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি ঘরেই চলছে তাঁতের খটখট শব্দ। কোথাও সুতা রং করা হচ্ছে, কোথাও চলছে সুতা প্রস্তুতের কাজ, আবার কোথাও শেষ পর্যায়ে তৈরি হচ্ছে গামছা। শ্রমিকরা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করছেন, যাতে সময়মতো অর্ডার সরবরাহ করা যায়।

লক্ষীকোলা এলাকার তাঁতশ্রমিক হযরত আলী বলেন, নববর্ষ এলেই কাজ বেড়ে যায়। এখন দিন-রাত তাঁত চালাতে হচ্ছে। গামছার চাহিদা বেশি, তাই সময়মতো অর্ডার শেষ করতে ব্যস্ত থাকতে হয়।

তাঁত মালিক তাইজুল ইসলাম বলেন, নববর্ষকে কেন্দ্র করে প্রতি বছরই গামছার চাহিদা বাড়ে। আমরা আগেভাগেই উৎপাদন বাড়াই। তবে সুতা ও অন্যান্য কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় খরচও বেড়েছে। তারপরও শ্রমিকদের নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি, যাতে বাজারের চাহিদা পূরণ করা যায়।

চান্দাইকোনা ইউনিয়নের রুদ্রপুর এলাকার তাঁত মালিক বাবু ইসলাম জানান, নববর্ষ আমাদের জন্য একটি বড় মৌসুম। এই সময় গামছার অর্ডার বেশি থাকে। তবে খরচ বাড়লেও বিক্রি ভালো হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যায়।

তাঁতশ্রমিকদের ভাষ্য, প্রতিবছর বাংলা নববর্ষকে ঘিরে এ অঞ্চলে গামছার চাহিদা বাড়ে এবং দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়। তবে কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি ও উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় আগের মতো লাভ হচ্ছে না।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, নববর্ষকে কেন্দ্র করে গামছার বাজার চাঙ্গা থাকে। তবে তাঁতশিল্প টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, সহজ শর্তে ঋণসুবিধা এবং কাঁচামালের দাম নিয়ন্ত্রণ।

বাংলা নববর্ষকে ঘিরে রায়গঞ্জের তাঁত পল্লীগুলোর এই কর্মচাঞ্চল্য শুধু স্থানীয় অর্থনীতিকেই সচল রাখছে না, বরং গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারাবাহিকতাও ধরে রাখছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, যথাযথ সহায়তা পেলে এ শিল্প আরও বিকশিত হতে পারে।

ভোরের আকাশ/এনউব

গামছা তৈরিতে ব্যস্ততা

শেয়ার করুন: